মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

Sunday, January 26, 2014

নামাযের সময় সূচি আপনার সাইটে দেখান ছোট একটা প্লাগিন্স দিয়ে

আসসালামু আলাইকুম, আজকে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব জটিল একটি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন্স এর সাথে
এই প্লাগিন্স এর মাধ্যমে আপনি আপনার সাইটে নামাযের সময় সূচি দেখাতে পারবেন
প্লুাগিন্স সম্পর্কেঃ
নামাযের সময় সূচি দেখতে পাবেন সম্পূর্ণ বাংলাই
প্লাগিন্স টি দেখতে খুব সুন্দর
এই প্লুাগিন্সে নিজের সব কয়টি জেলার নামজের সময় সূচি থাকবে
Dhaka Division
Chittagong Division
Rajshahi Division
Khulna Division




DHAKABANDARBANBOGRABAGERHAT
FARIDPURBRAHMANBARIACHAPAINABABGANJCHUADANGA
GAZIPURCHANDPURJOYPURHATJHENAIDAH
GOPALGANJCHITTAGONGPABNAJESSORE
JAMALPURCOMILLANAOGAONKHULNA
KISHOREGONJCOX`S BAZARNATOREKUSHTIA
MADARIPURFENIRAJSHAHIMAGURA
MANIKGANJKHAGRACHHARISIRAJGANJMEHERPUR
MUNSHIGANJLAKSHMIPUR
NARAIL
MYMENSINGHNOAKHALIRangpur DivisionSATKHIRA
NARAYANGANJRANGAMATIDINAJPUR
NETRAKONA
GAIBANDHASylhet Division
NARSINGDIBarishal DivisionKURIGRAMHABIGANJ
RAJBARIBARGUNALALMONIRHATMAULVIBAZAR
SHARIATPURBARISALNILPHAMARISUNAMGANJ
SHERPURBHOLAPANCHAGARHSYLHET
TANGAILJHALOKATIRANGPUR

PATUAKHALITHAKURGAON

PIROJPUR

প্লাগিন্স ডেমো

ডাউনলোড লিঙ্ক

আসুন জেনে নেই আপকামিং Samsung Galaxy S5 সম্পর্কে সম্পূর্ণ ডিটেইলস

Samsung Galaxy পরিবারে খুব শীঘ্রই যোগ হতে যাচ্ছে নতুন একটি গেলাক্সি সিরিজের মোবাইল Samsung Galaxy S5। মোবাইল টি এপ্রিল এ মার্কেট এ আসবে বলে জানা গেছে। এর আগে একটি পোস্ট এ আমি জানিয়েছি আপনাদের দিভাইস টি সম্পর্কে কিছু তথ্য এবং ফিচার। Samsung এই দিভাইস টি ফেব্রুয়ারী এর ২৩ তারিখ ঘোষণা করতে যাচ্ছে এবং মার্কেট এ আসছে এপ্রিল এ । কিন্তু ডিভাইসটিতে কি কি থাছে তা সম্পর্কে আপনি জানেন কি? না জেনে থাকলে আপনার জন্যেই আজকের এই পোস্ট। এই পোস্ট এ আজ দেখাচ্ছি আমাদের জানামতে Samsung Galaxy S5 সকল ফিচার এবং Specification.
Samsung will unveil the Galaxy S5 on 23 February, release date set for April
galaxy s5
                                                                    From left, Galaxy S3, S4, S5
ছবিতে দেখুন গেলাক্সি ৩ থেকে শুরু করে গেলাক্সি ৫ পর্যন্ত তিনটি দিভাইস এর চেহারার পার্থক্য। নতুন এই দিভাইস টি হতে যাচ্ছে আগের দিভাইস থেকে প্রায় অনেকটা আলাদা। নতুন এই দিভাইস টি দুইটি ভার্শন এ আসতে পারে একটি প্লাস্টিক বডি অপরটি মেটাল। এছারাও ৩ জিবি এবং ৩২ জিবি রম এর ভার্শন তো থাকছেই।
আপনি জানেন কি! এতে থাকছে 64-bit Octa-core প্রসেসর! আর কিছু লাগবে!
samsung_logo_720w
এছারাও নতুন ফিচার হিসেবে থাকছে QHD ডিসপ্লে এবং Eye Scanner ফিচার যা স্মার্টফোন এ এই প্রথম। QHD ডিসপ্লে এর আগের অন্য একটি কোম্পানি তে আমরা দেখেছি তাদের স্মার্টফোন এ। তবে স্যামসাঙ এ এই প্রথম এবং স্মার্টফোন জগতে দ্বিতীয় এই গেলাক্সি এস৫ এর ডিসপ্লে।
এই গেলো নতুন ফিচার। চলুন তবে এক নজরে দেখে নেই এই পর্যন্ত প্রকাশ পাওয়া ডিভাইসটির Specification
Samsung Galaxy S5 Specification
DISPLAY5.2 – 5.25-inch Super AMOLED; 2,560×1,440 pixels
PROCESSOROcta-core, 64-bit Exynos 6 and Snapdragon 800/805 models
RAM / INTERNAL MEMORY3 GB / 32 and 64 GB + microSD (up to 64 GB)
CAMERA (REAR)16 or 20 MP with ISOCELL sensor
MATERIALPlastic, metal or a plastic front and metal battery cover
CONNECTIVITYLTE, HSPA, GSM, Wi-Fi, Bluetooth 4.0, NFC, USB2.0 with MHL
DIMENSIONSTBC
WEIGHTTBC
BATTERY2,900 – 4,000 mAh (2,900 more likely)
OPERATING SYSTEMAndroid 4.4 KitKat with newly redesigned TouchWiz UI
AVAILABILITY AND PRICEAvailable April, same initial on-contract carrier pricing as the S4
Iris scanner
Seeing double: Two version of the S5 are expected to go on sale in April, a metal and a plastic version
ভালো লাগলে ঘুরে আসতে পারেন আমার অ্যান্ড্রয়েড ব্লগ  সকল Android তথ্য পাবেন এই ব্লগে ।

(first in bd )আপনার পিসিকে বানিয়ে ফেলুন অবিকল একটা এন্ড্রোয়েড ফোন ।(call সহ মোবাইল এর সব কিছু করতে পারবেন)(ধামাকা পোস্ট)

(first in bd )আপনার পিসিকে বানিয়ে ফেলুন অবিকল একটা
এন্ড্রোয়েড ফোন ।(call সহ মোবাইল এর সব কিছু করতে
পারবেন)(ধামাকা পোস্ট)
আস্সালামু আলাইকুম । কেমন আছেন সবাই । আশা করি ভালো কারন
TT এর সাথে থাকলে তো ভালো থাকবেনই । আসলে একটা জিনিস নিজে চালালে সেটার মজা থাকে না
। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি ।

আমাদের অনেকেরই পিসি আছে কিন্তু একটা এন্ড্রোয়েড ফোন নেই । তাই আজ এলাম দুধের স্বাধ
ঘোলে মেটাতে ।

আপনাদের দেখাবো কি করে পিসিকে একটা এন্ড্রোয়েড মোবাইল বানাতে হয় । তাহলে দেখুন ।
প্রথমে আমাদের ২টা সফটওয়্যার লাগবেঃ নিচের থেকে ডাউনলোড করে নিন ।

Download Menu:-
.star.VM
Player

.star.Android
OS.iso

এবার আপনি VM Player সফটা আপনার পিসিতে ইনস্টল দিন । এবার ওটা
ওপেন করুন ।

এবার নিচের মত করে Player->File->New Virtual Machine এ ক্লিক করুন অথবা কিবোর্ড
থেকে Ctrl+N বাটন চাপুন ।

Make Andr 1.jpg
এবার নিচের মত একটা Wizard Menu আসবে ।
এখানে নিচের মত করে Installer disc image file(iso) তে টিক চিহ্ন দিন ।
এবং ডানপাশের Browse এ ক্লিক করে আপনার ডাউনলোড করা Android OS.iso ফাইলটা ধরিয়ে
দিন এবং Next এ ক্লিক করুন ।

Make Andr 2.jpg
এবার নিচের মত একটা অপশন আসবে এখানে Virtual Machine Name এ
আপনার ইচ্ছামত একটা নাম দিন । এখানে আমি আমার নাম দিয়েছি ।

এবার Location এ Browse করে দেখিয়ে দিন যে কোন ড্রাইভে আপনি এই Android OS টা সেটআপ
দিতে চান । এটা মাত্র 1.0GB এর মত তাই ইচ্ছামত একটা যায়গা দেখিয়ে দিন । আমি D:a
দিয়েছি । এবার Next এ ক্লিক করুন ।

Make Andr 3.jpg
এবার নিচের মত একটা অপশন আসবে । এখানে Maximum disk size (GB) এর ঘরে

1.0

টাইপ করেন ।
এবং Store virtual disk as a single file এর পাশে টিক চিহ্ন দিন ।
এবার Next এ ক্লিক করুন ।
Make Andr 4.jpg
এবার যে অপশন আসবে এখানে কিছু করবেন না Just Finish বাটনে ক্লিক করুন । এবং একটু
অপেক্ষা করুন ।
.star..star..star..star..
এবার নিচের মত একটা Boot অপশন আসবে । আপনি যদি One time use করতে চান তাহলে Live CD
এর অপশন চয়েজ করবেন । আর যদি স্থায়ি করতে চান তাহলে একদম নিচের Installation চয়েজ
করবেন ।
আমি Live cd দেখাবো । নিচের মত করে সিলেক্ট করে ENTER বাটনে চাপ দিন ।
Make Andr 5.jpg
এবার একটু ওয়েট করেন লোড নিতে । সব ঠিক ঠাক মত থাকলে নিচের মত একটা ফোন আসবে ।
এটা এন্ড্রোয়েড এর লক স্কিন । ফোনের মতো করেই নিচ থেকে ধরে উপরে নিয়ে যান দেখবেন
খুলে যাবে ।
Make Andr 6.jpg
এবার নিচেরমত একটা এন্ড্রোয়েড Home স্কিন আসবে । এখানে ডান দিকে ৩টা অপশন আছে ।
মাঝেরটা আপনার Menu এবং এক পাশেরটা কলের অপশন । আরেক পাশেরটা Internet Browser ।
Make Andr 7.jpg
এখন আপনি Menu আইকনে ক্লিক করলে নিচের মত একটা এন্ড্রোয়েড মেনু পাবেন । এখানে আপনি
এন্ড্রোয়েড ফোনের সকল সুবিধা ও অপশন পাবেন ।
Make Andr 8.jpg
আপনার একটা প্রশ্ন জাগতে পারে যে এটার মেমরি কার্ড কোনটা?
আপনি পিসিতে একটা পেনড্রাইভ লাগিয়ে File Manager এ যান দেখবেন মেমরি কার্ড চলে এসেছে

নিচে দেখুন আপনার পিসি ভার্শনের এন্ড্রোয়েড ফোনের ডিটেল্স ।
Make Andr 9.jpg
আপনি আপনার পেনড্রাইভে apk ফাইলের গেমস ও এপস নিয়ে এটাতে ইনস্টল দিয়ে দেখলে পারবেন

এক কথায়া একটা এন্ড্রোয়েড ফোনের কোন অংশে কম না ।
.star..star..star..star.
আপনি যদি পিসিতে SIM Card Reader দিয়ে একটা সিম লাগান তো নিচের মত করে কলও দিতে
পারবেন ।
Make Andr 10.jpg

তো কি করবেন । কি দরকার পিসি থাকতে এন্ড্রোয়েড ফোনের? পিসিই যদি হয় সব কিছু ।

ভালো থাকবেন সবাই । কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন । আর ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে
শেয়ার করলাম ।

পোস্টা কপি করা থেকে বিরত থাকুন ।
সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় আমার সাইট এ ।
post করেন
MD Sagor

আরও অনেক টিপস এন্ড ট্রিক পেতে আমার সাইট ভিসিত করতে পারেন । আমার সাইট এ যেতে
এইখানে ক্লিক করুন ।
কোন সমসসা হলে ফেসবুক এ আমি

৫০ টি জনপ্রিয় Bangla Album কালেকশন (Zip File With Resume Supported)

আজ আপনাদের জন্য ৫০টি জনপ্রিয় Bangla Album এর কালেকশন নিয়ে এলাম ।
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে ।
তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি ডাউনলোড এ যায় ।
এখানে ৫০ টি Album এর ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক দেওয়া হয়েছে এবং এই লিংকগুলো Resume Supported.
1. Antorale By Various Artists (2013)
Size : 31.04 MB
2. Ebong Bhalobasha By Various Artists (2013)
Size : 42.69 MB
3. Osrujol By Riyad (2013)
Size : 34.54 MB
4. Opor Pristha Drostobbo By Shohortoli Band (2013)
Size : 47.42 MB
5. Shopno Chowa By Various Artists (2013)
Size : 42.85 MB
6. Cholo Bachi By Samina Chowdhury (2013)
Size : 47.99 MB
7. Valobasha Rongin Ghuri By Faruk Sumon (2013)
Size : 32.45 MB
8. Cholo Bodle Dei By Fuad Ft. Rizia Rima (2013)
Size : 30.39 MB
9. Haway Shona Jay By Rokan Shahrier (2013)
Size : 40.82 MB
10. Only By Saba (2013)
Size : 49.14 MB
11. Prothom Prem By Shibly Noman & Nancy (2013)
Size : 38.4 MB
12. Ekhono Valobashi By Saju & Akhi Alamgir (2013)
Size : 50.21 MB
13. Sakkhi Theko By R.H Rasel (2013)
Size : 43.06 MB
14. Mon Pajore By Various Artists (2013)
Size : 46.56 MB
15. Prothom Oddhay By Naim & Nancy (2013)
Size : 39.04 MB
16. Nil Akash Chuye By various Artists (2013)
Size : 50.05 MB
17. Hridoy Jure By Various Artists (2013)
Size : 40.94 MB
18. Shomonnoy By Various Artists (2013)
Size : 32.32 MB
19. Kata Nite Keno Keu Asena By Priyanka Gop & Mamun Jahid (2013)
Size : 29.21 MB
20. Baul Beshe Rabi Tagore By Rinku (2013)
Size : 23.81 MB
21. Baowla By Ashik (2013)
Size : 43.45 MB
22. Puja Special By Asif & Shoshi (2013)
Size : 4.46 MB
23. Autograph Photograph By Saju (2013)
Size : 39.51 MB
24. Hobei Valo Thaka By Milton (2013)
Size : 41.03 MB
25. Jhograr Gaan By Asif & Nancy (2013)
Size : 39.33 MB
26. Nisshongota By Nirjo Habib (2013)
Size : 44.54 MB
27. Priotomo By Mahmud Sunny Ft. Siuthya (2013)
Size : 33.17 MB
28. Ore Priya By Arfin Rumey Ft. Various Artists (2013)
Size : 56.95 MB
29. Na Bola Kotha 2 By Eleyas Hossain Ft. Various Artists (2013)
Size : 64.9 MB
30. Amar Valobasha By Bappy Ft. Various Artists (2013)
Size : 43.17 MB
31. Antohin By Bijoy Mamoon Ft. Various Artists (2013)
Size : 39.78 MB
32. Amader Gaan By Various Artists (2013)
Size : 42.24 MB
33. Mud Nei By TML (2013)
Size : 27.57 MB
34. Ar Tomake By Topu (2013)
Size : 38.88 MB
35. Bhalobashi Tomake By Various Artists (2013)
Size : 47.37 MB
36. Othocho By Ahmed Razeeb (2013)
Size : 33.98 MB
37. Shopno Dana By Monmi Ft. Kazi Shuvo, Imran, Tausif, Eleyas (2013)
Size : 48.41 MB
38. Mugdhota By Tarique Afm & Nodi (2013)
Size : 35.5 MB
39. Shuprobhat By Various Artists (2013)
Size : 41.48 MB
40. Onurag Er Bina By Rajib Saha (2013)
Size : 40.51 MB
41. Moner Manush By Various Artists (2013)
Size : 66 MB
42. Moner Vetor - Mixed (2013)
Size : 70.23 MB
43. Evabei Shuru By Various Artists (2013)
Size : 51.3 MB
44. Bohudin Dhore By M.O.Tarek (2013)
Size : 36.51 MB
45. Shampan - Band Mixed (2013)
Size : 48.11 MB
46. Rajkonna Mixed Album (2013)
Size : 50.58 MB
47. Biday Shongbidhan By Minerva (2013)
Size : 42.22 MB
48. Icche Hoi By Fahmida Nobi (2013)
Size : 33.42 MB
49. Sufiyana By Sajid Ft. Rafat (2013)
Size : 40 MB
50. Shohor Jure By Shoshi With Co Artists (2013)
Size : 56.92 MB

সেরা ১০টি ফ্রি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম(CMS)

কিছুদিন আগেও একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরী করার জন্যে শুধুমাত্র html/css ব্যবহার করা হত, যা কিনা বেশ সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টকর প্রক্রিয়া। বর্তমানে অসংখ্য কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম রয়েছে যার ব্যবহার ওয়েবসাইট ডেভেলপার এবং পাবলিশারদের কাজকে অনেক অনেক স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলেছে। চলুন চাহিদা এবং ব্যবহারের ভিত্তিতে এদের মাঝে জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারগুলো দেখে নিই:

১. ওয়ার্ডপ্রেস
ওয়ার্ডপ্রেস (ইংরেজি: WordPress) ওয়েব ষ্ট্যান্ডার্ড, ইউজেবিলিটি এবং সৌন্দর্যের কথা বিবেচনা করলে ফ্রি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রথম অবস্থানটি ধরে রেখেছে ওয়ার্ডপ্রেস। ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপলিকেশন(CMS), যা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দ্বারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স ব্লগিং সফটওয়্যার। ওয়ার্ডপ্রেস প্রথম পর্যায়ে একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ছিল যা পরবর্তীকালে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনামূল্যে তা ডাউনলোড করে যেকোনো ব্লগারকে ব্যবহারের সুবিধা দিতে শুরু করে। এটি দ্বারা পিএইচপি, মাইএসকিউএল বা এইচটিএমএল জ্ঞান ছাড়াই একটি প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭শে মে এটি প্রাথমিকভাবে প্রকাশ করেন। জানুয়ারি ২০১২ পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.৪ সংস্করণ ৩ কোটিরও বেশিবার ডাউনলোড হয়েছিল (!!)।
ওয়েব: wordpress.org
২. জুমলা
জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস এর পরই যে সিএমএস এর নাম উঠে আসে সেটি হল জুমলা। জুমলা হল একটি সম্পূর্ন ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, এটা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দিয়ে তৈরি এওয়ার্ড উইনার সিএমএস যার মাধ্যমে পাওয়ারফুল ওয়েব এপ্লিকেশন অনায়াসে তৈরী করা যায়। ২০০৫ সালে মেমবো এর কিছু ফিচার নিয়ে জুমলা তৈরি করা হয় এবং Miro International Pvt Ltd. এর নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান একে ট্রেড মার্ক করে। জমুলা রিলিজ হয়ার প্রথম বছরে এটি ডাউনলোড করা হয় প্রায় ২.৫ মিলিয়ন (২৫লাখ) বার । এরপর ২০০৭ এর মার্চ থেকে ২০১১ ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এটি ডাউনলোড হয়েছে প্রায় ২১ মিলিয়ন (২কোটি ১০লাখ ) বার।
ওয়েব: http://www.joomla.org/
৩. দ্রুপাল:
বর্তমান ওয়েব ডেভেলপমেন্টের যুগে দ্রুপাল বা ড্রুপাল একটি অতি পরিচিত এবং জনপ্রিয় নাম। পিএইচপি কোডিংয়ের সমন্বয়ে তৈরি এই সিস্টেমটি 'দ্রুপাল কোর' নামেও পরিচিত। ২০০৬ থেকে ২০০৯ এ ওপেনসোর্স সিএমএস অ্যাওয়ার্ড-এ ১ম এবং ২০১০ এ ২য় অবস্থান অর্জন করে। ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলার মতো কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্টগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুপাল খুবই দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলার ওয়েবসাইট ডেভেলপাররাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই।
ওয়েব: http://drupal.org/
৪. সিলভার ষ্ট্রাইপ
ওপেন সোর্স এবং ফ্লেক্সিবল একটি সিএমএস হল সিলভার ষ্ট্রাইপ, ওয়েব প্রজেক্ট করার মোটামুটি সব ধরণের টুলই এখানে পাওয়া যায়।
ওয়েব: http://www.silverstripe.org/
৫. ক্যুসি সিএমএস
সিম্পল একটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম হল ক্যুসি সিএমএস। এটি দিয়ে কোনরকম খরচ বাদেই আনলিমিটেড ইউজার, আনলিমিটেড চেঞ্জ, আনলিমিটেড পেজ এবং ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়।
ওয়েব: http://www.cushycms.com/
৬. ফ্রগ সিএমএস:
কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেমকে অনেক সিমপ্লিফাই করার জন্যে অনন্য অবদান রেখেছে ফ্রগ সিএমএস। সুরুচিপূর্ণ এবং পরিচ্ছন্ন ইউজার ইন্টারফেস, প্রতিটি পেজ এ ফ্লেক্সিবল টেমপ্লেটিং সুবিধা, সিম্পল ইউজার ম্যানেজমেন্ট এবং পারমিশন, দরকারী ফাইল ম্যানেজমেন্টের জন্য অসাধারণ একটি সিএমএস এটি।
ওয়েব: http://www.madebyfrog.com/
৭. মোডএক্স
ওপেন সোর্স পিএইচপি এপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক, নিজের সাইটকে ঠিক যেমনটি করে সাজাতে চান ঠিক তেমন করেই সাজাতে পারবেন মোডএক্স দিয়ে। এর রয়েছে শক্তিশালী কমিউনিটি যার জন্যে অসংখ্য নজর কাড়া ডিজাইনের টেম্পলেট সচরাচরই পাওয়া যায়। মোড এক্স কে বলা হয় জিরো রেসট্রিকশন এবং ফাস্ট টু বিল্ড, মানে ১০০ ভাগ নিজের মত করে একে সাজাতে পারবেন একে।
ওয়েব: http://modxcms.com/
৮. টাইপোলাইট
টাইপোলাইট এমন একটি ওয়েব সিএমএস যা এজাক্স এবং ওয়েব 2.0 টেকনোলজি ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে। এর রয়েছে লাইভ আপডেট সুবিধা এবং মাল্টিল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট। যাদের মাল্টিপল ব্লগ রয়েছে তাদের জন্যে এটা বেশ সুবিধাজনক।
ওয়েব: http://www.typolight.org/
৯. এক্সপ্রেশন ইঞ্জিন
অনেক ধরনের সিএমএস পাওয়া যায় ইন্টারনেটে; কিন্তু যদি বৃহৎ পরিসরে তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরি করার পরিকল্পনা থাকে, তবে যেকোনো সিএমএসে নির্ভর না করে নিশ্চিন্তে এক্সপ্রেশন ইঞ্জিন সিএমএস ব্যবহার করা যায়। তথ্যবহুল, ডেটা সমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরি করতে এই সিএমএস জুড়ি নেই।
কি নেই এর! সব আছে। তবে গতানুগতিক সিএমএস থেকে এটা কিছুটা ভিন্ন, প্রয়োজনমতো কাস্টমাইজ করে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। এতে রয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে এটিকে ফ্রেমওয়ার্কের মতো করেও ব্যবহার করতে পারবেন। সনি, বিবিসি, নকিয়া, অ্যাপলের মতো কোম্পানির ওয়েবসাইটগুলো ইই সিএমএস ব্যবহার করে।
ওয়েব: http://expressionengine.com/
১০. কনক্রিট ফাইভ
শুধুমাত্র মার্কেটিং এর জন্যে এই সিএমএস টি তৈরী করা হয়েছে। খুবই শক্তিশালী এবং ওপেন সোর্স কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম।
ওয়েব: http://www.concrete5.org/
উল্লেখিত প্রতিটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেমেরই রয়েছে আলাদা আলাদা ফিচার এবং বৈশিষ্ট্য। যেই সিএমএস নিয়েই কাজ করতে চান না কেন, সফলতা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য্য ধরে নিয়মিত সময় দিতে হবে। তবেই একজন ডেভেলপার হিসেবে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন। আপনার সফলতা কামনা করছি। আগ্রহ নিয়ে পড়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সৌজন্যে: ডেভসটিম ইনস্টিটিউট

এন্ড্রয়েডের বিশেষ সংস্করণ প্রাইভেটওএস নিয়ে আসছে ব্ল্যাকফোন

আপনার মুঠোফোনে গোপনে কেউ নজরদারি করছে কিনা তা জানিয়ে দেবে ‘ব্ল্যাকফোন’ নামের একটি স্মার্টফোন। এই স্মার্টফোনটিকে ফাঁকি দিয়ে কোনোমতেই নজরদারি করা সম্ভব হবে না বলে দাবি করেছেন এর নির্মাতারা। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মুঠোফোনে গোয়েন্দাদের আড়ি পাতার খবর ফাঁস করেছিলেন মার্কিন গোয়েন্দাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন। গোপনে নজরদারির তথ্য ফাঁস হওয়ার পর থেকেই মুঠোফোনে তথ্য গোপন করার বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে। গোপন নজরদারি আর মুঠোফোন হ্যাকিংয়ের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে নিরাপদ স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়ছে। আর এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে স্পেনের স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গিকসফোন তৈরি করেছে ‘ব্ল্যাকফোন’। স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্ল্যাকফোন এমনভাবে তৈরি করা হবে যাতে স্মার্টফোন ব্যবহারের নিরাপদ অভিজ্ঞতা হয়।
ব্ল্যাকফোন তৈরি করতে গিকসফোন মোবাইল এনক্রিপশন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সাইলেন্ট সার্কেলেরসঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এই দুটি প্রতিষ্ঠান মিলে গোপন নজরদারি এড়ানোর প্রযুক্তি সুবিধার ব্ল্যাকফোন বাজারে আনবে।
blackphone
ব্ল্যাকফোনে থাকবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের বিশেষ একটি সংস্করণ যার নাম হবে ‘প্রাইভেটওএস’। কাস্টমাইজড এই অপারেটিং সিস্টেমে এমন কিছু নিরাপত্তা ফিচার থাকবে যা বিশ্বের যেকোনো জিএসএম নেটওয়ার্কে কাজ করবে। এই স্মার্টফোনে পরিচয় গোপন করে এনক্রিপটেড কল করা, বার্তা পাঠানো ও নিজেকে গোপন রেখে ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যাবে।
ব্ল্যাকফোন ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, ব্ল্যাকফোনে এমন টুল ইনস্টল করা থাকবে যাতে ব্যবহারকারীর অগোচরে কেউই তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে না। আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনে যত নিরাপত্তা ফিচার আছে সেগুলোও এই স্মার্টফোনটিতে থাকবে। ওয়াই-ফাই, ফোরজি ও অন্যান্য সেলুলার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এনক্রিপটেড ভয়েস ও ভিডিও কলও করা যাবে। সাইলেন্ট টেক্সটের মাধ্যমে নিরপাদে বার্তা পাঠানো যাবে। এ ছাড়াও উইন্ডোজ কম্পিউটারে এনক্রিপটেড ভিওআইপি টেলিকনফারেন্সিং সুবিধা দেবে সাইলেন্ট সার্কেল।
এই স্মার্টফোনটি দুর্বৃত্তদের হাতে গেলে সমস্যা তাদের সুবিধা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন প্রযুক্তি গবেষকেরা।
২৪ ফেব্রুয়ারি স্পেনে অনুষ্ঠিতব্য মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ব্ল্যাকফোন উন্মুক্ত করবে গিকসফোন। এই স্মার্টফোনটির দাম সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

পিসিতে গান শুনুন অবিশাস্য এইচ.ডি. সারাউন্ড কোয়ালিটি তে!!

আসসালামু আলাইকুম....
আবার হাজির হলাম এক্কেবারে নতুন একটি টিউন নিয়ে। আজকে আপনাদের দেখাবো হাই কোয়ালিটি (৩২০ কেবিপিএস) গানের আসল মজা কিভাবে নিতে পারবেন। সামান্য কয়টা ধাপ অনুসরণ করে আপনি পেতে পারেন গান শোনার অন্যরকম এক মাত্রা!
এজন্য আপনার কাছে AIMP3 অডিও প্লেয়ারটি থাকতে হবে। না থাকলে লেটেষ্ট ভার্সনটি নিচের লিংক থেকে নামিয়ে নিন।
Download AIMP3 Audio Player (7MB)
সত্যিকার অর্থেই চমৎকার একটি অডিও প্লেয়ার!!
এইবার কাজ শুরু করা যাক...... প্রথমে প্লেয়ারটি সেটআপ দিন আর একটা গান প্লে করুন।


এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন..... (নম্বরগুলো স্ক্রিনশটের সাথে মিলিয়ে নিবেন)
১. প্লেয়ারের উপরের বাম কোণে সেটিংস আইকনে ক্লিক করুন। একটা নতুন উইন্ডো আসবে।
২. বামপাশের প্যানেল থেকে Transform Options সিলেক্ট করুন।
৩. এবারে ডানপাশের নিচের কোণে DSP Manager এ ক্লিক করুন। নতুন একটা উইন্ডো আসবে।
৪. Enhancer নির্দেশকটি ড্রাগ করে 2.40x এ নিয়ে যান।


৫. Equalizer ট্যাব এ ক্লিক করুন।
৬. Switch on the Equalizer বক্স এ টিক দিন।
৭. Presets এ ক্লিক করুন।
৮. Headphones সিলেক্ট করুন।
৯. Apply তে ক্লিক করুন।
ব্যাস হয়ে গেল! তফাৎ বুঝতে পারছেন তো!!
আমার সাথে ব্যাক্তিগতভাবে যোগাযোগ করুন এই লিঙ্ক এ-  facebook.com/km.zaman.92

Tuesday, December 31, 2013

এয়ারটেল সিম দিয়ে জাভাতে ফ্রী নেট চালান।

আস্সালামু আলাইকুম। TT এর সাথে থাকলে সবাই ভাল থাকে,তাই আর জানতে চাইলাম না্।আমার এই টিউনটি শুধুমাএ যারা ফ্রি ইন্টারনেট চালান তাদের জন্য ।আমি আপনাদের চেয়ে অনেক ছোট তাই কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন । এবার কাজের কথায় আসি। আজ আমি যে টিউন আপনাদের কে উপহার সেটা অনেক ছোট একটা টিউন তবে টিউন টি কজের ।  তবে আর কথা নয় নিচে পড়তে শুরু করে দিন………
এই ট্রিক এর প্রক্সি হয়তো আপনারা আগেও ইউস করছেন। এটা এখনও চলে ট্রাই করে দেখলাম তাই শেয়ার করলাম। তো নিচের মত করেন…
জাভা ট্রিক
Name:TipsDunia.Com
apn:internet
Proxy:200.37.69.14
Port:80
Home:Tipsdunia.com
এখন নিচের ইউসি টা নামান
Download

এরপর অপেরা ওপেন করুন যদি পিন কোড বা কোনো কোড চায় তাহলে dzebb দিন। যদি কাজ না করে nextwap.net দিন।
Fornt Quary তে নিচের কোড টা দিন….
Front quary= 0.facebook.com/cgi-bin/ nph-proxy.cgi/00/http/
বাশ কাজ রেডি। তো শুরু করে দিন আপনার কাজ ।
নোট : মেগা রাখতে হবে।
সময় সাক্ষেপ এর কারণে আমি স্কিনসট দিতে পারি নাই বলে দুঃখিত ।
ধন্যবাদ কষ্ট করে টিউনটি পড়ার জন্য । টিউনটি ভাল লাগলে কমেন্টস করতে ভুলবেন না।
একটু সময় হলে আমার সাইটটি ঘুরে আসতে পারেন এখানে

অ্যান্ড্রয়েডে অভ্র ব্যাবহার করে বাংলা লেখা ও শেয়ার করার চমৎকার একটি সফটওয়্যার। (ইন্টারনেট কানেকশান এর দরকার নেই)

* ইন্টারনেট কানেকশান ছাড়াই আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল এ বাংলা লিখুন।
* কোন বিজ্ঞাপন এর ঝামেলা নেই।

Download Link (Google Play)

Download Link (Direct Link)

* অভ্র ফনেটিক স্টাইল এ বাংলা লিখার সুবিধা।
* কোন বাংলা কীবোর্ড এর দরকার নেই।
* আপনার মোবাইল এর ইংলিশ কীবোর্ড ব্যাবহার করেই বাংলা লিখতে পারবেন।
* এর মাধ্যমে যুক্তাক্ষর লেখা খুবই সহজ।
* মাত্র এক ক্লিক এর মাধ্যমে টেক্সট কপি করার সুবিধা।
* এক ক্লিক এর মাধ্যমেই আপনার লেখা টেক্সট শেয়ার করুন (Facebook, Gmail, Google+, Message, Email, Facebook Messenger এবং আরও অনেক)
* লেখার সময় খুব সহজেই লেখার মাধ্যম (বাংলা / English) পরিবর্তন করার সুবিধা।

Download Link (Google Play)

Download Link (Direct Link)

উদাহরণঃ
ইংলিশে "ami" লিখলে তা অটোমেটিক হয়ে যাবে "আমি"
টাইপ করুন "kanna", হয়ে যাবে "কান্না"
লেখার নিয়মকানুন জানার জন্য আপনার মোবাইলের "MENU" বাটন চাপুন, এরপর "How to Write" অপশনে ক্লিক করুন।
Note: বাংলা লিখতে কোন সমস্যা হলে আপনার কীবোর্ডের সেটিংস্‌ এ গিয়ে Auto Suggestion / Auto Correction অফ করে দিন।


ধন্যবাদ।

Tuesday, December 24, 2013

Apex Luncher Pro. Fully Free Paid (Only Smart User)

............পরম করুণাময় আল্লাহের নামে শুরু করছি........
কেমন আছেন সবাই ? আশা করছি সবাই ভালই আছেন । হয় তো আমার মত অথবা তার চেয়ে কিছুটা বেশি । জানি না শুরুটা ঠিক মত উপস্থাপন করতে পারলাম কি না ।
যাই হউক এবার কাজের কথায় আসি । আজকে কিছুক্ষণ আগে একটি টিউন দেখে খুব বিরক্ত লেগেছিল । একজন Apex Launcher Share এর নামে তার নিজস্ব সাইট শেয়ার করেছিল । তাও মানা যায় যদি কেউ APPS টির Download Link পেত ! টিউনটি সম্ভবত এডমিন গণ কেটে ফেলেছেন । কিন্তু যারা APPS টির আশায় বসে আছে তাদের জন্যই টিউনটি করতে বসলাম। খুব বেশি সময় নিব না কারন- একজনকে Call Waiting এ রেখেছি ।
এবার কাজের কথায় আসি। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব- APEX Launcher Pro যার মার্কেট মূল্যঃ প্রায় ৪ ডলার । (Information)

চলুন কিছু Preview দেখে নেই -




Apps/ Launcher টি Download করতে এখানে ক্লিক করুন -

 Download

কথা বাড়িয়ে লাভ নেই । আগেই বলেছি একজনকে Waiting এ রেখেছি । আমার জন্য দোয়া করবেন- যেন আমি আপনাদের সাথেই থাকতে পারি এবং নিত্য নতুন টিউন নিয়ে হাজির হতে পারি ।

ফেসবুক এ আমিঃ Real Fbboy Himu

আল্লাহ্‌ হাফেজ ।

এবার আপনার পিসি তে ফ্রী নেট চালান রবি সিম দিয়ে (আনলিমিটেড )

সবাই কেমন আছেন আশা করি অনেক ভাল আছেন ॥ আমি ভাল নেই কেননা আমার যান পাখি আমার কাছ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে । তবুও আপনাদের খানিক উপকার করার জন্য এই ট্রিকস । আর আগেই বলে নেই এই ট্রিকস টি আমার না এটি কপি করা
তো যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি :::::
প্রথমে রবি সিম এ একটি প্যাকেজ নিয়ে নিন । আর আপনার পিসির সকল আপডেট বন্ধ করে নিন ( control panel >windows updates এ গিয়ে ) :::: আমি suggest করব 4 এমবি এর একটি প্যাকেজ নিতে । কেননা ওপেন vpn জাউরা জিনিস , এইডা একবার disconnect হইলে সব MB শেষ কইরা ফেলে
এরপর এখান থেকে OPEN VPN FOR PC ডাউনলোড করে নিন
ডাউনলোড করার পর মোট 6 টি ফাইল পাবেন । এবার setup ফাইল টি তে ক্লিক করে ইন্সটল করে নিন ।  নিচের চিত্রগুলো লক্ষ করুন :::::::

ইন্সটল হয়ে গেলে নিচের মত একটি উইনডো দেখতে পারবেন ::::::::::

এখন আগে আপনার ডাউনলোড করা 6 টি ফাইল হতে setup ফাইল বাদ দিয়ে বাকি 5 টি ফাইল কপি করে আপনার local drive এর  program files > Open vpn > config ফাইল এর ভিতরে রাখুন । রাখার পর ওপেন Vpn টি ওপেন করুন  নিচের মত আসবে   । OK  চাপুন  । এখন আপনার নেট কানেক্ট করে নিন তবে আপনি চাইলে আগেও আপনার নেট কানেক্ট করে নিতে পারেন

ok  চাপার পর নিচের মত 6 টি প্লাগ দেখতে পারবেন >>>>> সেখান থেকে আপনার পছন্দ মতে একটি সিলেক্ট করুন

সিলেক্ট করার পর এবার search চিহ্ন তে ক্লিক করুন ... কিছুখন এর মধ্যেই কানেক্ট হয়ে যাবে ।

এইটুকুই ॥ এবার ডাউনলোড ও browse করুন ধুমছে  ...... সবাই ভাল থাকবেন আর সবাইকে ভাল রাখবেন কেউ আমার মত হোয়েন না ... পোস্ট টি তে যদি আপনার উপকৃত হন তাহলে আমাদের Facebook Page টি like  করতে ভুলবেন  না   ::::: আমরা আছি ফেসবুক এ  :::::::
আর সময় পেলে আমাদের ওয়েবসাইট এ ঘুরে আসতে পারেন .......  এসোজানি ডট কম 

Monday, December 16, 2013

শুধু একটি বা সিংগেল নাম বা নিক নেম দিয়ে ফেসবুক আইডি তৈরি করুন ।।

কি বিশ্বাস হচ্ছে না ? হবে হবে আবার অনেকে হয়ত এইটা জানেন । আজ আমি দেখাব কিভাবে নিজের নিক নাম বা একটি ওয়ার্ড দিয়ে ফেসবুক এর আইডি বানানো যায় । টেকটিউনসে এইটাই আমার প্রথম টিউন । আর আমি আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি যদি কেউ আগে এই নিয়মটি দিয়ে থাকে।

আমরা সবাই জানি যে ফেসবুকে লাস্ট নেম ফাস্ট নেম দিতে হয় আর্থাত ২ টা নাম অবশ্যই দিতে হয় এইটাই ডিফল্ট নিয়ম। কিন্তু আপনি ইচ্ছা করলে শুধু একটি নাম দিতে পারবেন । তাই আর কথা না বাড়িয়ে কাজ এ আসি ।
প্রথমে আপনি ফেসবুকের Account setting এ যান । তারপর নিচের দিকে Language অপশন থেকে language চেঞ্জ করুন English(us) থেকে Bhasa Indonesia সিলেক্ট করে সেভ করুন। এ পর্যন্ত মিনিমাইজ করে রেখে দেন আপাতত।
তারপর আপনি আপনার পিসির কন্ট্রোল পেনেলে যান সেখানে Internet Option এ ক্লিক করুন ।নিচের মত ছবি আসবে ।
তারপর আপনি যে কানেকশন ইউজ করেন অর্থাৎ ল্যান হলে নিচের মত ল্যান সেটিং এ ক্লিক করুন আর ডায়াল আপ হলে ডায়াল আপে ক্লিক করুন তারপর নিচের মত আইপি এড্রেসে 202.90.198.78 অথবা 202.138.232.114 এন্ড পোর্টএ 8080 বসান এবং ওকে ক্লিক করে সেভ করুন ।


তারপর আবার ফেসবুকের account setting page এ যান । এখানে ১ম ঘর টাতে আপনি যে সিংগেল নামে নাম চেঞ্জ করতে চান তা দেন এবং বাকি ২ টা ঘর খালি রাখুন । এরপর অল্টার নাম দিলে দিতে পারেন না দিলে নাই । তারপর পাসওয়ার্ড ঘরে পাসওয়ার্ড দিয়ে simpan parubahan বাটনে ক্লিক করে সেভ করেন ।
তারপর আগের মত ল্যংগুয়েজ টা ইংলিশ করে দিন।
এবার দেখুন আপনার নামটা সিঙ্গেল হয়ে গেছে ।
মুলত এখানে মুল কাজটা হচ্ছে ল্যাংগুয়েজ এবং প্রক্সিটা চেঞ্জ করে নাম টা চেঞ্জ করে নেওয়া।
কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন ।

বিজয় দিবসে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম স্পেশাল একটা গিফট …. আপনার কম্পিউটার ও ল্যাপটপকে দিতে পারবেন বিজয়ের পরিপূর্ণ স্বাধ …

বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগল ইন্টারনেট ইউজারদের সুবিধার কথা চিন্তা করে তার এলগরিদম আপডেটে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়ে চলেছে। এই বছরটা ছিল গুগলের এলগরিদম আপডেটের সবচেয়ে বিস্ময়কর বছর। ২০১৩ সালেই গুগল পেঙ্গুইন, পান্ডা এবং হামিংবার্ড আপডেটের মত তিনটি গুরুত্ত্বপূর্ণ এলগরিদম আপডেট সংযোজন করেছে। যার ফলে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীদের সম্ভাব্য কী-ওয়ার্ড দিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পাওয়া আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়ে গেছে।
প্রথম দিকে এই এলগরিদম আপডেটগুলো সম্পর্কে তৎক্ষনাৎ ধারণা না থাকার কারণে অর্থাৎ এই আপডেটগুলোর সঠিক উদ্দেশ্য বুঝতে না পারার কারণে এবং সেই সময় র‍্যাংকিংয়ের উপরের দিকে থাকা অনেকগুলো ওয়েবসাইট নিচে নেমে যাওয়ার কারণে অনেকেই মনে করেছিল গুগলের এই এলগরিদম আপডেটগুলো সংযোজনের ফলে এসইও প্রোফেশানটি বোধহয় ধ্বংস হয়ে গেল!! যার কারণে অনেকেই এই আপডেটগুলোর কারণে এসইও এর ভবিষ্যত নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিল। কিন্তু আসলে গুগল স্পামিং রোধ করার জন্যই এই আপডেটগুলো সংযোজন করেছে। এই আপডেটগুলোর যুক্ত করার কারণে এখন শুধুমাত্র ভাল ওয়েবসাইটগুলোই গুগলের র‍্যাংকিংয়ে থাকবে এবং ইউজাররাও অনেক সহজে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে ভাল সাইটগুলোকে অতি সহজে খুজে পাবে। অর্থাৎ এই এলগরিদম আপডেটগুলোর মাধ্যমেই এসইও এর গতানুগতিক ধারায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে যার কারণে এসইও এখন আগের চাইতে আরো অনেক বেশি স্মার্ট প্রোফেশান। এতে করে এসইও স্পেসিয়ালিস্টদের জন্য নিজের সাইটকে এগিয়ে রাখতে বা নিজেকে এগিয়ে নিতে অনেকটা ফাইট বা সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার দ্বার উন্মোচন হয়েছে।
যে কোনো বিষয়ে যখন খুব বেশী প্রতিযোগীতা থাকেনা তখন সেই বিষয়টির প্রতি মানুষের আকর্ষণও খুব একটা থাকেনা, এটাই স্বাভাবিক। গুগলের এলগরিদম আপডেটগুলোর আগে  অনেকে বাজেভাবে লিংক বিল্ডিং করেই খুব সহজে তাদের ওয়েবসাইটকে গুগলের টপে নিতে পারত। যে কারণে তখন প্রতিযোগীতামূলক এসইও করার প্রতি খুব বেশী আকর্ষণ বা প্রতিযোগীতা কোনোটাই দেখা যেতনা। কিন্তু এখন গুগলের এই আপডেটগুলোর কারণে আগের চাইতে নিজের কোম্পানিকে এগিয়ে রাখতে মানসম্পন্ন এসইও করাটা অনেক প্রতিযোগীতামূলক হয়ে গেছে। পাশাপাশি সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়া বা নিজেকে  এসইও এক্সপার্ট হিসেবে প্রমাণ করার চান্সটাও অনেক সহজে পাওয়া যাচ্ছে।
এটিকে বলা যায় এক প্রকার চাতুরীপণা থেকে কৌশলগত উপায়ে রূপ দেওয়া। কারণ এখন আর আগের মত শুধুমাত্র লিংক বিল্ডিং এর মাধ্যমে এসইও করে সফল হওয়া যায়না, এখন লিংক বিল্ডিং এর পাশাপাশি ইউনিক কিছু কৌশলের উপর বেশ জোর দেওয়া চাই। অর্থাৎ এই এলগরিদম আপডেটের কারণে শুধুমাত্র অধিকতর যোগ্য এসইও এক্সপার্টরাই গুগলের পরবর্তী পদক্ষেপের সাথে তাদের কাজের সমন্বয় ঘটিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং একমাত্র তাদেরই এসইওতে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। অন্যদিকে যারা শুধুমাত্র চিরাচরিত লিংকবিল্ডিং এর উপর জোর দিয়ে কাজ করছেন এবং গুগলের এই আপডেটগুলোকে গুরুত্ত্ব সহকারে নিচ্ছেন না তাদের কাজে সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না বললেই চলে।
আপনি ওয়েবসাইটের এসইও এর কাজ করেন বা করতে চাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই গুগলের আপডেটগুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে হবে যাতে কাজ করতে গিয়ে আপডেটগুলোর সাথে আপনার কাজের সমন্নয় ঘটাতে পারেন। সেই সাপেক্ষে বিভিন্ন কোম্পানি বা যারা এসইও এর ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজ করতে চান তাদের জন্য কার্যকরী কিছু টিপস দিচ্ছি।

২০১৩ তে যা শিখলেন/জানলেন সবকিছুকে ঠিক রেখে নিজের ধারণাকে বিস্তৃত করুন


২০১৩ সালে গুগলের যত এলগরিদম আপডেট ২০১৪ সালের এসইওতে সেগুলোর খুব একটা পরিবর্তন হবার সম্ভাবনা নেই এবং এসইও এর ভবিষ্যৎ এই আপডেটগুলোর উপর ভিত্তি করেই হবে। কাজেই এই আপডেটগুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা নিয়েই আপনাকে এগোতে হবে। আপনার এসইও কাজের ক্ষেত্রে লিংক বিল্ডিং হচ্ছে এক প্রকার সাপোর্টিং হ্যান্ড, এটি আপনার কাজকে কিছুটা সহজ করে দিবে মাত্র কিন্তু তাই বলে এমন না যে লিংক বিল্ডিং করেই আপনি আপনার এসইও কাজ শেষ করতে পারবেন। কাজেই অযথা বাজেভাবে লিংক বিল্ডিং না করে ভাল মানের লিংক কোয়ালিটির উপর জোর দেওয়ায় হবে বুদ্ধিমানের কাজ।গুগলের  সাম্প্রতিক এলগরিদম আপডেটগুলো বুঝে বা সেই কৌশলগুলো মেনে যারা এসইও করবে শুধুমাত্র তারাই বেনিফিটেড হবে। অপ্রয়োজনীয় বা বাজেভাবে লিংক বিল্ডিং করে যারা এসইও করার চেষ্টা করবে  তারা কোনোভাবেই সুবিধা লাভ করতে পারবেনা। অর্থাৎ শুধুমাত্র লিংক বিল্ডিং করে এসইও করার দিন আসলেই ফুরিয়ে গেছে।

মানসম্মত কনটেন্ট আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী

আশা করা যায় মানসম্পন্ন কনটেন্ট মার্কেটিং এর মূল্যমান আগের চেয়ে অনেকটাই বেড়ে গেছে। যে সকল কোম্পানি বা এসইও স্পেসিয়ালিস্ট গুগলের আপডেটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মানসম্মত ইউনিক কনটেন্ট এর উপর জোর দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে গুগলের কাছে বা টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে তারাই বেশি প্রাধান্য পাবে, অন্যদিকে যারা ভুয়া বা অন্যের থেকে কপি করা কনটেন্ট ব্যাবহার করে কাজ করবে তারা খুব বেশি সুবিধা আদায় করতে পারবেনা। ক্রিয়েটিভ আইটি ইন্সটিটিউটেই আমি এসইও ক্লাস করি। এই ইনস্টিটিউটের প্রজেক্ট ম্যানেজার এবং এসইও এক্সপার্ট একরাম স্যার  http://facebook.com/ekramict  আমাদের সবসময় বলে থাকেন যে একটি ওয়েবসাইটের এসইও এর অনেকটাই নির্ভর করে আপনার মানসম্মত আর্টিকেলগুলোর উপর। উনি সবসময় সেই স্ট্র্যাটেজি ফলো করে কাজ করেন এবং সবসময় আমাদেরকে মনে করিয়ে দেন একটি সুন্দর ইউনিক আর্টিকেলের মাধ্যমেই আপনার সাইটের এসইও এর প্রায় অর্ধেক কাজ হয়ে যায়। উনার কাছ থেকেই আমার এসইও এর হাতেখড়ি এবং উনিই প্রথম আমাকে বুঝাতে পেরেছেন আজেবাজে লিংক বিল্ডিং না করে একটি আর্টিকেলের ইউনিক কন্টেন্টগুলোর মাধ্যমেই বেশি ভাল এসইও করা যায় সাথে অনেক ভাল লিংকও পাওয়া যায় এবং সাইটে রেগুলার ভিজিটর পেতে এটি গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কাজেই মনে রাখতে হবে একটি আর্টিকেলের ক্ষেত্রে মানসম্মত কনটেন্ট এর গুরুত্ত্ব কিন্তু অনেক বেশি। একটি আর্টিকেলের আকর্ষণীয় লেখার মাধ্যমে সম্ভাব্য ভিজিটরদের আপনার সাইটের প্রতি যতটা দুর্বলতা তৈরি করতে পারবেন এবং যত বেশি নিয়মিত ভিজিটর পেতে পারেন অন্য কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করে তা পারবেন না, এমনকি পীর-ফকিরের দোয়া-দরুদেও তা সম্ভব না। ভিজিটরদের কাছে আর্টিকেলের মানসম্পন্ন কনটেন্ট এর মাধ্যমে আপনার সাইটের গুরুত্ত্ব অনেকখানি ফুটে উঠে। কাজেই ভাল মানের কনটেন্ট  কোয়ালিটির উপর বেশি জোর দিতে হবে এবং সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার সাইটের কনটেন্টগুলো অনেক বেশি ইউনিক হয়। কেননা কেউ যদি আপনার লেখা আর্টিকেল পড়ার পরে বুঝতে পারে এটা অন্য কোনো জায়গা থেকে কপি করা তখন তারা অবশ্যই আপনার সাইটের প্রতি আস্থা রাখতে পারবেনা এবং সাইটে প্রবেশ করার মত আকর্ষণ ফিল করবেনা। আকর্ষণীয় এবং মানসম্মত ইউনিক কনটেন্টগুলোর  কারণেই ইউজাররা আপনার সাইটের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হবে এবং এতে আপনার সাইটে নিয়মিত ভিজিটর পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
ভাল মানসম্মত কনটেন্ট ব্যাবহারের সুবিধাগুলো দেখুন
  • এটি টার্গেটেড কাস্টমারদের আকর্ষণ তৈরি করতে অনেক বেশি হেল্পফুল হয়
  • আপনার কনটেন্টগুলো নিয়মিত শেয়ার করার মাধ্যমে ভাল ট্রাফিক পেতে পারেন
  • ভাল মানের কনটেন্ট ব্যাবহারের মাধ্যমে সাইটটিকে অনেক বেশি জনপ্রিয় করা যায়
  • অথরিটি বিল্ডিংয়ের জন্য অনেক বেশি সহায়ক হয়
গুগলের এলগরিদম আপডেটগুলোর কারণে আপনার সাইটটিকে কোন অবস্থানে দেখতে চান সেটা অনেকটাই নির্ভর করছে আপনি কোন মানের কনটেন্ট ব্যাবহার করছেন এবং কাজের ক্ষেত্রে কি ধরণের কৌশল অবলম্বন করছেন সেটার উপর। মানসম্মত কনটেন্ট মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি অবশ্যই আপনার সাইটের জন্য ভাল ফলাফল আনতে পারে।

স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলো গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে


গত কয়েক বছরে অনলাইন মার্কেটিং সেক্টরে স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলো অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।  প্রথম দিকে আমরা দেখেছিলাম কিভাবে ফেসবুক এবং টুইটার রীতিমত অনলাইন বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে আমাদের দেশেও স্কুল, কলেজপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের থেকে শুরু করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বয়স্ক লোকেদের কাছেও ফেসবুক সমানভাবে জনপ্রিয়। কিন্তু বিগত কয়েক বছরের মধ্যে  pinterest, Instagram, Google plus সহ আরো অনেক স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলো অনলাইন মার্কেটিংয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং বর্তমান অবস্থার কথা চিন্তা করলে এই ধরণের মিডিয়া সাইটগুলোর চাহিদা আরো বাড়তে পারে। স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলোতে নিয়মিত উপস্থিতির মাধ্যমে আপনার পরিচিতি অনেকের কাছে তুলে ধরতে পারবেন। আপনার উপস্থিতি বা কার্যক্রম বাড়ানোর মাধ্যমে অনেকের কাছে আপনার সাইটের গুরুত্ত্ব বাড়িয়ে তুলতে পারেন সেই সাথে তাদের কাছে নিজের গুরুত্ত্বও অনেকাংশে বাড়ানো যায়। কাজেই স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলোকে গুরুত্ত্বসহকারে  নিন এবং এগুলোতে আপনার কার্যক্রম বাড়িয়ে তুলুন।
বিভিন্ন কোম্পানি এবং এসইও প্রফেশনালিস্টরা নিচের যে প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যেতে পারবেননাঃ
  • স্যোসিয়াল মিডিয়াকে আপনি কতটা গুরত্ত্বসহকারে নিচ্ছেন? এগুলোতে আপনি কতটুকু শক্তিশালী সার্কেল, ভাল প্রোফাইল এবং মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করতে পেরেছেন?
  • আপনার সব কনটেন্টগুলো রেগুলার শেয়ার করতে পারছেন কি?
  • স্যোসিয়াল মিডিয়াতে আপনার কোম্পানির জন্য কতটা কার্যকরী ভূমিকা রাখছেন?
  • টার্গেটেড কাস্টমারদের জন্য কতটা কার্যকরী ভূমিকা রাখছেন?
  • সার্চ ইঞ্জিনগুলোর জন্য আপনি বা আপনার কোম্পানি কতটা এক্টিভ ?

কার্যকরী ভূমিকা রাখবে গুগল প্লাস (Google+)

অনলাইন মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলোর কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে গুগল প্লাস (Google+) । ধারণা করা হচ্ছে অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে স্যোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলোর মধ্যে গুগল প্লাস বেশ জনপ্রিয়তা পাবে এবং অলরেডি এটি ফেসবুকের মত অন্য সব মিডিয়া সাইটগুলোর সাথে যথেষ্ট প্রতিযোগীতা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আপনার সাইটের কনটেন্টগুলো শেয়ার করার মাধ্যমে সাইটে অনেক বেশি ট্রাফিক পেতে গুগল প্লাস অনেক কার্যকরী ভূমিকা রেখে চলেছে। যেহেতু এতে গুগলের নিঃজস্ব ক্রেডিট রয়েছে তাই গুগলে অথরিটি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে আপনার জন্য এটি যথেষ্ট সহায়ক হবে। তাই গুগল প্লাসকে আপনার সাইটের মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্ত্বসহকারে নিন। এখনো যদি আপনি গুগল প্লাসে একাউন্ট তৈরি না করে থাকেন তাহলে আর দেরী না করে একাউন্ট করে নিন এবং ভাল প্রোফাইল তৈরি করে শক্তিশালী একটি সার্কেল গঠন করুন। আপনার কাজের নমুনা এবং কনটেন্টগুলো নিয়মিত শেয়ার করুন। এখানেও ফেসবুক পেইজ এবং গ্রুপের মত অনেক ভাল কমিউনিটি পাবেন, সেগুলোতে এড থাকুন, রেগুলার পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করুন। এভাবে দেখতে দেখতে আপনার ভাল একটি সার্কেল এমনিতেই হয়ে যাবে।

হামিংবার্ড আপডেটের শর্ত অনুযায়ী ওয়েবসাইটের মোবাইল ভার্সন তৈরি করুন


গুগলের এলগরিদম আপডেটগুলোর মধ্যে সর্বশেষ যে আপডেট সেটি হচ্ছে হামিংবার্ড আপডেট। অন্যান্য সব আপডেটগুলোর চাইতে এটিকে বেশ ইতিবাচক একটি পরিবর্তন হিসেবে মনে করা হচ্ছে। গুগল তার সার্চ রেজাল্টকে ইউজারদের কাছে আরো সহজভাবে উপস্থাপন করার জন্যই মূলত এই আপডেট গুলো করছে এবং হামিংবার্ড আপডেটের মাধ্যমে গুগল সেই লক্ষ্যে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো।
হামিংবার্ড আপডেটে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের মত ছোট স্ক্রীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিশেষ সুবিধার কথা চিন্তা করা হয়েছে, কারণ যেখানে বর্তমানে প্রায় অর্ধেকের বেশি আমেরিকানরা স্মার্টফোন, এবং প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোকেরা ট্যাবলেটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ইউজ করছে। এমনকি শুধু আমেরিকানরা না, এই ধরণের স্মার্টফোন এবং ট্যাবের ব্যবহার এখন গোটা বিশ্বেই এক প্রকার বিপ্লব সৃষ্টি করে চলেছে।
কাজেই আপনার ওয়েবসাইটের এসইও করতে হলে মোবাইল পারফরম্যান্সের ব্যাপারটিকেও মাথায় রাখতে হবে। অর্থাৎ আপনার সাইটটিকে এমনভাবে ডিজাইন দিতে হবে যাতে একই সাথে মোবাইল বা ট্যাবলেট এর মত ছোট স্ক্রীন এবং কম্পিউটারের বড় মনিটরেরও উপযোগী হয়। আপনার সাইটটিকে যদি হামিংবার্ড আপডেট সহ অন্যান্য সব আপডেটগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ২০১৪ সালের এসইও এর জন্য পারফেক্ট একটা সাইট হিসেবে দেখতে চান, তাহলে আর দেরী করার কোনো সুযোগ নেই। মোবাইল অপটিমাইজেশনের বিষয়টিকেও পূর্ণ অগ্রাধিকার দেয়ার মাধ্যমেই আপনার সাইটটিকে অনেক বেশি  এসইও বান্ধব করে তৈরি করে নিন।

লং কনটেন্ট এবং সর্ট কনটেন্ট

কোন ধরণের কনটেন্ট ব্যবহার করা জরুরী? লং কনটেন্ট নাকি সর্ট কনটেন্ট? সেটি নির্ভর করে কে কনটেন্টটি তৈরি করছে,কি বিষয়ের উপর কনটেন্টটি লেখা হচ্ছে, কাদেরকে টার্গেট করে লেখা হচ্ছে বা কনটেন্টটির পাঠক কারা হবে এবং সবশেষে কনটেন্টটি যিনি লিখছেন সবকিছু বিবেচনা করে তিনি কোন ধরণের কনটেন্ট লিখতে চাচ্ছেন তার উপর।
উপরের বিষয়টিকে চিন্তা করলে অর্থাৎ লং কনটেন্ট বা সর্ট কনটেন্ট এর কথা বিবেচনা করলে আপনার সাইটটিকে যদি র‍্যাংকিংয়ে রাখতে চান তাহলে কোন ধরণের কনটেন্ট আপনি ইউজ করবেন? উত্তরটি হতে পারে অথবা/এবং/উভয়। অর্থাৎ আপনি কোন বিষয়ের উপর লিখছেন,  আপনার টার্গেটেড পাঠক কারা হবে ইত্যাদি বিষয় গুলোকে মাথায় রেখে লং বা সর্ট যে কোন ধরণের মানসম্মত কনটেন্ট আপনি তৈরি করতে পারবেন। তবে কনটেন্ট এর ব্যাপারে লেখার শুরুতে যেটির উপর বেশি জোর দিতে বলেছি এবং জোর দেয়া অনেক জরুরী সেটা হচ্ছে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনার কনটেন্টটি যেন ইউনিক হয় এবং পাঠকদের কাছে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়।

মানসম্মত গেস্ট ব্লগিং সবসময় অন্যতম কার্যকরী একটি কৌশল


সাইটে ভাল ট্রাফিক পেতে, ভাল মানের লিংকবিল্ডিং করতে হলে অর্থাৎ প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর পেতে মানসম্মত গেস্ট ব্লগিংকে সবসময় কার্যকরী একটি কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গেস্ট ব্লগিং এ সবসময় মানসম্মত ইউনিক আর্টিকেল লেখাটা অনেক জরুরি। বলা হয় মানসম্মত ইউনিক আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে আপনার সাইটের এসইও এর প্রায় অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়। গেস্ট ব্লগিং এর মাধ্যমে  ভালভাবে নিজের কোম্পানির ব্র্যান্ডিং করা যায় আবার সেই সাথে নিজেরও ফ্রি ব্র্যান্ডিং হয়ে যায়, অর্থাৎ আপনার লেখনীর মাধ্যমেই অনেকের কাছে নিজের গুরুত্ত্বও তুলে ধরতে পারবেন। এটিকে বলা যায় অথরিটি বিল্ডিং, যা গুগলের পেঙ্গুইন আপডেটে অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ টপিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। গুগলের সাম্প্রতিক এলগরিদম আপডেটের কারণে গেস্ট ব্লগিং এর  গুরুত্ত্ব কোনো অংশে কমেনি বরং কিছুটা বেড়েছে। গেস্ট ব্লগিং এ ভাল মানের কনটেন্ট বা আকর্ষণীয় লেখার মাধ্যমে ইউজারদের আপনার সাইটের প্রতি অনেক বেশি আকৃষ্ট করা যায় যার কারণে সাইটে প্রচুর পরিমাণে নিয়মিত ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এই বছরটা ছিল এসইও এর জন্য আসলেই একটি বিস্ময়কর বছর। এই বছরে গুগলের এলগরিদম আপডেটগুলোর কারণে এসইও এর ভবিষ্যত অনেকটাই নির্ধারিত হয়ে গেছে এবং এসইও প্রোফেশানটি যে এই আপডেটগুলোর উপর ভিত্তি করেই হবে সেই ধারণাও স্পষ্টভাবে পাওয়া গেছে। কাজেই গুগলের এই আপডেটগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে কাজ করার চেষ্টা করুন এবং একজন সফল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করুন।
এসইও সম্পর্কে অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ তথ্য পেতে এবং সমস্যা  সমাধানের জন্য এই ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন
https://www.facebook.com/groups/creativeit/