মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

Showing posts with label রিভিউ. Show all posts
Showing posts with label রিভিউ. Show all posts

Sunday, January 26, 2014

আসুন জেনে নেই আপকামিং Samsung Galaxy S5 সম্পর্কে সম্পূর্ণ ডিটেইলস

Samsung Galaxy পরিবারে খুব শীঘ্রই যোগ হতে যাচ্ছে নতুন একটি গেলাক্সি সিরিজের মোবাইল Samsung Galaxy S5। মোবাইল টি এপ্রিল এ মার্কেট এ আসবে বলে জানা গেছে। এর আগে একটি পোস্ট এ আমি জানিয়েছি আপনাদের দিভাইস টি সম্পর্কে কিছু তথ্য এবং ফিচার। Samsung এই দিভাইস টি ফেব্রুয়ারী এর ২৩ তারিখ ঘোষণা করতে যাচ্ছে এবং মার্কেট এ আসছে এপ্রিল এ । কিন্তু ডিভাইসটিতে কি কি থাছে তা সম্পর্কে আপনি জানেন কি? না জেনে থাকলে আপনার জন্যেই আজকের এই পোস্ট। এই পোস্ট এ আজ দেখাচ্ছি আমাদের জানামতে Samsung Galaxy S5 সকল ফিচার এবং Specification.
Samsung will unveil the Galaxy S5 on 23 February, release date set for April
galaxy s5
                                                                    From left, Galaxy S3, S4, S5
ছবিতে দেখুন গেলাক্সি ৩ থেকে শুরু করে গেলাক্সি ৫ পর্যন্ত তিনটি দিভাইস এর চেহারার পার্থক্য। নতুন এই দিভাইস টি হতে যাচ্ছে আগের দিভাইস থেকে প্রায় অনেকটা আলাদা। নতুন এই দিভাইস টি দুইটি ভার্শন এ আসতে পারে একটি প্লাস্টিক বডি অপরটি মেটাল। এছারাও ৩ জিবি এবং ৩২ জিবি রম এর ভার্শন তো থাকছেই।
আপনি জানেন কি! এতে থাকছে 64-bit Octa-core প্রসেসর! আর কিছু লাগবে!
samsung_logo_720w
এছারাও নতুন ফিচার হিসেবে থাকছে QHD ডিসপ্লে এবং Eye Scanner ফিচার যা স্মার্টফোন এ এই প্রথম। QHD ডিসপ্লে এর আগের অন্য একটি কোম্পানি তে আমরা দেখেছি তাদের স্মার্টফোন এ। তবে স্যামসাঙ এ এই প্রথম এবং স্মার্টফোন জগতে দ্বিতীয় এই গেলাক্সি এস৫ এর ডিসপ্লে।
এই গেলো নতুন ফিচার। চলুন তবে এক নজরে দেখে নেই এই পর্যন্ত প্রকাশ পাওয়া ডিভাইসটির Specification
Samsung Galaxy S5 Specification
DISPLAY5.2 – 5.25-inch Super AMOLED; 2,560×1,440 pixels
PROCESSOROcta-core, 64-bit Exynos 6 and Snapdragon 800/805 models
RAM / INTERNAL MEMORY3 GB / 32 and 64 GB + microSD (up to 64 GB)
CAMERA (REAR)16 or 20 MP with ISOCELL sensor
MATERIALPlastic, metal or a plastic front and metal battery cover
CONNECTIVITYLTE, HSPA, GSM, Wi-Fi, Bluetooth 4.0, NFC, USB2.0 with MHL
DIMENSIONSTBC
WEIGHTTBC
BATTERY2,900 – 4,000 mAh (2,900 more likely)
OPERATING SYSTEMAndroid 4.4 KitKat with newly redesigned TouchWiz UI
AVAILABILITY AND PRICEAvailable April, same initial on-contract carrier pricing as the S4
Iris scanner
Seeing double: Two version of the S5 are expected to go on sale in April, a metal and a plastic version
ভালো লাগলে ঘুরে আসতে পারেন আমার অ্যান্ড্রয়েড ব্লগ  সকল Android তথ্য পাবেন এই ব্লগে ।

সেরা ১০টি ফ্রি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম(CMS)

কিছুদিন আগেও একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরী করার জন্যে শুধুমাত্র html/css ব্যবহার করা হত, যা কিনা বেশ সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টকর প্রক্রিয়া। বর্তমানে অসংখ্য কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম রয়েছে যার ব্যবহার ওয়েবসাইট ডেভেলপার এবং পাবলিশারদের কাজকে অনেক অনেক স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলেছে। চলুন চাহিদা এবং ব্যবহারের ভিত্তিতে এদের মাঝে জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারগুলো দেখে নিই:

১. ওয়ার্ডপ্রেস
ওয়ার্ডপ্রেস (ইংরেজি: WordPress) ওয়েব ষ্ট্যান্ডার্ড, ইউজেবিলিটি এবং সৌন্দর্যের কথা বিবেচনা করলে ফ্রি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রথম অবস্থানটি ধরে রেখেছে ওয়ার্ডপ্রেস। ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপলিকেশন(CMS), যা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দ্বারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স ব্লগিং সফটওয়্যার। ওয়ার্ডপ্রেস প্রথম পর্যায়ে একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ছিল যা পরবর্তীকালে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনামূল্যে তা ডাউনলোড করে যেকোনো ব্লগারকে ব্যবহারের সুবিধা দিতে শুরু করে। এটি দ্বারা পিএইচপি, মাইএসকিউএল বা এইচটিএমএল জ্ঞান ছাড়াই একটি প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭শে মে এটি প্রাথমিকভাবে প্রকাশ করেন। জানুয়ারি ২০১২ পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.৪ সংস্করণ ৩ কোটিরও বেশিবার ডাউনলোড হয়েছিল (!!)।
ওয়েব: wordpress.org
২. জুমলা
জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস এর পরই যে সিএমএস এর নাম উঠে আসে সেটি হল জুমলা। জুমলা হল একটি সম্পূর্ন ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, এটা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দিয়ে তৈরি এওয়ার্ড উইনার সিএমএস যার মাধ্যমে পাওয়ারফুল ওয়েব এপ্লিকেশন অনায়াসে তৈরী করা যায়। ২০০৫ সালে মেমবো এর কিছু ফিচার নিয়ে জুমলা তৈরি করা হয় এবং Miro International Pvt Ltd. এর নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান একে ট্রেড মার্ক করে। জমুলা রিলিজ হয়ার প্রথম বছরে এটি ডাউনলোড করা হয় প্রায় ২.৫ মিলিয়ন (২৫লাখ) বার । এরপর ২০০৭ এর মার্চ থেকে ২০১১ ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এটি ডাউনলোড হয়েছে প্রায় ২১ মিলিয়ন (২কোটি ১০লাখ ) বার।
ওয়েব: http://www.joomla.org/
৩. দ্রুপাল:
বর্তমান ওয়েব ডেভেলপমেন্টের যুগে দ্রুপাল বা ড্রুপাল একটি অতি পরিচিত এবং জনপ্রিয় নাম। পিএইচপি কোডিংয়ের সমন্বয়ে তৈরি এই সিস্টেমটি 'দ্রুপাল কোর' নামেও পরিচিত। ২০০৬ থেকে ২০০৯ এ ওপেনসোর্স সিএমএস অ্যাওয়ার্ড-এ ১ম এবং ২০১০ এ ২য় অবস্থান অর্জন করে। ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলার মতো কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্টগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুপাল খুবই দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলার ওয়েবসাইট ডেভেলপাররাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই।
ওয়েব: http://drupal.org/
৪. সিলভার ষ্ট্রাইপ
ওপেন সোর্স এবং ফ্লেক্সিবল একটি সিএমএস হল সিলভার ষ্ট্রাইপ, ওয়েব প্রজেক্ট করার মোটামুটি সব ধরণের টুলই এখানে পাওয়া যায়।
ওয়েব: http://www.silverstripe.org/
৫. ক্যুসি সিএমএস
সিম্পল একটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম হল ক্যুসি সিএমএস। এটি দিয়ে কোনরকম খরচ বাদেই আনলিমিটেড ইউজার, আনলিমিটেড চেঞ্জ, আনলিমিটেড পেজ এবং ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়।
ওয়েব: http://www.cushycms.com/
৬. ফ্রগ সিএমএস:
কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেমকে অনেক সিমপ্লিফাই করার জন্যে অনন্য অবদান রেখেছে ফ্রগ সিএমএস। সুরুচিপূর্ণ এবং পরিচ্ছন্ন ইউজার ইন্টারফেস, প্রতিটি পেজ এ ফ্লেক্সিবল টেমপ্লেটিং সুবিধা, সিম্পল ইউজার ম্যানেজমেন্ট এবং পারমিশন, দরকারী ফাইল ম্যানেজমেন্টের জন্য অসাধারণ একটি সিএমএস এটি।
ওয়েব: http://www.madebyfrog.com/
৭. মোডএক্স
ওপেন সোর্স পিএইচপি এপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক, নিজের সাইটকে ঠিক যেমনটি করে সাজাতে চান ঠিক তেমন করেই সাজাতে পারবেন মোডএক্স দিয়ে। এর রয়েছে শক্তিশালী কমিউনিটি যার জন্যে অসংখ্য নজর কাড়া ডিজাইনের টেম্পলেট সচরাচরই পাওয়া যায়। মোড এক্স কে বলা হয় জিরো রেসট্রিকশন এবং ফাস্ট টু বিল্ড, মানে ১০০ ভাগ নিজের মত করে একে সাজাতে পারবেন একে।
ওয়েব: http://modxcms.com/
৮. টাইপোলাইট
টাইপোলাইট এমন একটি ওয়েব সিএমএস যা এজাক্স এবং ওয়েব 2.0 টেকনোলজি ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে। এর রয়েছে লাইভ আপডেট সুবিধা এবং মাল্টিল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট। যাদের মাল্টিপল ব্লগ রয়েছে তাদের জন্যে এটা বেশ সুবিধাজনক।
ওয়েব: http://www.typolight.org/
৯. এক্সপ্রেশন ইঞ্জিন
অনেক ধরনের সিএমএস পাওয়া যায় ইন্টারনেটে; কিন্তু যদি বৃহৎ পরিসরে তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরি করার পরিকল্পনা থাকে, তবে যেকোনো সিএমএসে নির্ভর না করে নিশ্চিন্তে এক্সপ্রেশন ইঞ্জিন সিএমএস ব্যবহার করা যায়। তথ্যবহুল, ডেটা সমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরি করতে এই সিএমএস জুড়ি নেই।
কি নেই এর! সব আছে। তবে গতানুগতিক সিএমএস থেকে এটা কিছুটা ভিন্ন, প্রয়োজনমতো কাস্টমাইজ করে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। এতে রয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে এটিকে ফ্রেমওয়ার্কের মতো করেও ব্যবহার করতে পারবেন। সনি, বিবিসি, নকিয়া, অ্যাপলের মতো কোম্পানির ওয়েবসাইটগুলো ইই সিএমএস ব্যবহার করে।
ওয়েব: http://expressionengine.com/
১০. কনক্রিট ফাইভ
শুধুমাত্র মার্কেটিং এর জন্যে এই সিএমএস টি তৈরী করা হয়েছে। খুবই শক্তিশালী এবং ওপেন সোর্স কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম।
ওয়েব: http://www.concrete5.org/
উল্লেখিত প্রতিটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেমেরই রয়েছে আলাদা আলাদা ফিচার এবং বৈশিষ্ট্য। যেই সিএমএস নিয়েই কাজ করতে চান না কেন, সফলতা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য্য ধরে নিয়মিত সময় দিতে হবে। তবেই একজন ডেভেলপার হিসেবে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন। আপনার সফলতা কামনা করছি। আগ্রহ নিয়ে পড়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সৌজন্যে: ডেভসটিম ইনস্টিটিউট