১

মাইটিউন্স

২

মাইটিউন্স

৩

মাইটিউন্স

৪

মাইটিউন্স

৫

মাইটিউন্স

Showing posts with label এসইও. Show all posts
Showing posts with label এসইও. Show all posts

Saturday, September 28, 2013

বাউন্স রেট কি ও কিভাবে কমাবেন সাইটের বাউন্স রেট

আজ আমরা আলোচনা করব ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট নিয়ে। বাউন্স রেট যেকোন ওয়েবসাইটের জন্যই ক্ষতিকর । আপনারা অনেকেই হয়তো বাউন্স রেট সম্পর্কে জানেন । তারপরও চলুন আরো একবার জেনে নেওয়া যাক বাউন্স রেট কী? বাউন্স রেট হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের সেই সমস্ত ভিজিটরের শতকরা হার। যারা শুধু আপনার ওয়েবসাইটের প্রথম পেজে এসে আবার চলে যায়। কিন্তু ঐ সাইটের ভিতরের বা অন্যকোন পেজগুলি ভিজিট করে না।

ব্যাপারটি আসলেই হতাশাজনক কারন আপনি আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সাইটের জন্য এসইও করেন সর্বোপরি আপনার সাইটের পিছনে যথেষ্ট সময় দেন অথচ ভিজিটর আপনার সাইটটি চোখের দেখা দেখেই চলে যায়। এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে।
গুগল অ্যানালিটিকস টুলসের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট ট্রাক করা যায়। এটি আপনার ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেজের বাউন্স রেট প্রদর্শন করে। এছাড়াও আপনার ওয়েবসাইটে কিভাবে (অরগ্যানিক সার্চ, পেইড সার্চ ইত্যাদি) ভিজিটর আসে, আপনার সাইটের বিগত সময়ের বাউন্স রেটের পর্যালোচনা সহ অন্যান্য আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডাটা প্রদর্শন করে এছাড়াও অনেক তথ্য দেখায়। এগুলি দেখে আপনি খুব সহজেই আপনার সাইটের বাউন্স রেটের কারন বের করতে পারবেন।
সাধারণত বেশিরভাগ সাইটের বাউন্স রেটের হার ৫০% এর মত হয়ে থাকে। তবে এটিকে অতিক্রম করে যদি ৬০% হয় তাহলে সেটি একটু উদ্বিগ্ন হওয়ার মত । যদি আপনার সাইটের বাউন্স রেট এর চেয়েও বেশি হয় বা ৮০% এর মত হয় তাহলে এটি আপনার সাইটের জন্য একটি বিরাট সমস্যা। এর জন্য আপনার সাইটের রেপুটেশন খারাপ হয়ে যাবে এবং আপনার যদি এডসেন্স একাউন্ট থাকে তাহলে ওটাও ব্যান্ড হতে পারে।
বন্ধুরা, সমস্যা যেমন আছে তেমনি এর সমাধানও আছে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক আমাদের আলোচিত বাউন্স রেট বৃদ্ধির কারণ এবং তার সমাধান সমূহগুলি।
১. সাইটের ডিজাইন:
ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে “First Impression is the last impression”. সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে হলে আপনার সাইটকে এমনভাবে সাজাতে হবে যেন প্রথম দর্শনেই ভিজিটরদের আপনার সাইটটিকে ভাল লেগে যায়। আপনার সাইট যেন এনিমেশন বা অ্যাড দিয়ে ভরা না থাকে, এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় গ্রাফিকসের কারিকুরি দিয়ে সাইটকে ভিজিটরদের কাছে চোখ ধাঁধানো করতে যেয়ে যেন চোখের বিষ বানিয়ে না ফেলেন এ ‍দিকটি খেয়াল রাখবেন। চেষ্টা করুন আপনার সাইটে যেন স্বাভাবিক সৌন্দর্য বজায় থাকে, কৃত্রিমতার কোন প্রয়োজন নেই।
২. সঠিক তথ্য বা কী-ওয়ার্ড:
অনলাইন যে তথ্যের মহাসাগর এ ব্যাপারে কারো কোন দ্বিমত নেই। ভিজিটরগণ তার প্রয়োজনীয় বিষয়ের সঠিক তথ্যটি পেতে এক সাইট থেকে আরেক সাইটে ছোটাছুটি করে থাকেন। সুতরাং আপনি যদি এ তথ্যটি দিতে পারেন তাহলে ভিজিটর আপনার সাইট ছেড়ে যে সহজে যাবে সেটা বলে দেওয়া যায়। তবে সমস্যা যেটা হয় সেটা এরকম যেমন, ভিজিটর কোন কীওয়ার্ড ধরে আপনার সাইটে আসল কিন্তু দেখা গেল আপনার সাইটে ঐ সম্পর্কিত তথ্যটি পুরানো বা ভুল। আবার এমন ও হতে পারে আপনার লেখার মাধ্যমে সঠিকভাবে তথ্যটি প্রস্ফুটিত হয়নি। আর এসব কারনে ভিজিটর ফিরে যাবে এবং বাউন্স রেট বৃদ্ধি পেতে থাকবে। সুতরাং এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ আপনার সাইটটি যে বিষয়ের উপর সে বিষয়ের নতুন তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে আপনার সাইট আপডেট রাখুন। তাহলে ভিজিটর আপনার সাইট ছেড়ে যাবেনা। কারণ ভিজিটর মৌমাছির মত, যেখানে মধু পাবে সেখানেই থেকে যাবে।
৩. সাইটের লোডিং টাইম:
সাইট লোড হতে যদি সময় বেশি লাগে তাহলে আপনার সাইটের বাউন্স রেটের হার বৃদ্ধি পাবে। কারণ লোডিং টাইম বেশি লাগলে ভিজিটর আপনার সাইট ত্যাগ করবে।
৪. রিলেটেড পোস্ট না থাকা:
একজন ভিজিটর আপনার সাইটে ভিজিট করল এবং কোন একটি বিষয় সম্পর্কে জানল। এরপর সে স্বাভাবিকভাবেই চাইবে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য। তখন সে দেখবে উল্লেখিত বিষয়টির কোন রিলেটেড পোস্ট আছে কিনা। যদি রিলেটেড পোস্ট না থাকে তাহলে ভিজিটর অন্য কোন সাইটে যাবে স্বাভাবিকভাবেই। আর এভাবেই বাড়তে থাকবে আপনার সাইটের বাউন্স রেট। সুতরাং চেষ্টা করবেন যে কোন বিষয়ের উপর যথাসম্ভব বেশি তথ্যসমৃদ্ধ রিলেটেড পোস্ট রাখতে। এটা আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে সহায়ক হবে।
৫. সাইটে ভিজিটর গমন সহজতর না করা:
আপনার সাইটে ভিজিটরগণ যেন সহজে নেভিগেট করতে পারে এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। যেমন; আপনার সাইটে ফুটারে টপ পেজের লিঙ্ক দেওয়া যেন ভিজিটর এক ক্লিকেই পেজের উপরে ফিরে যেতে পারে। এছাড়াও আপনার সাইটে লোড হওয়ার পূর্বে যদি কোন স্প্ল্যাশ পেজ প্রদর্শন করে তাহলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার সাইটের ভিজিটর ফিরে যাবে। সুতরাং বাউন্স রেট কমাতে হলে এসব স্প্ল্যাশ পেজ পরিহার করতে হবে যেন ভিজিটর সহজে আপনার সাইটে আসতে পারে।
৬. সাইটে ভিজিটরদের অংশগ্রহনের জন্য কোন অপশন না রাখা:
আপনার সাইটে এমন কিছু অপশন রাখবেন যেন সেখানে পাঠকেরা অংশগ্রহন করতে পারে এবং আলোচনার ঝড় তুলতে পারে। সর্বোপরি আপনার সাইটের ভিজিটরদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে ভিজিটর আপনার সাইটের প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার সাইটে বেশি সময় কাটাবে। ফলে আপনার সাইটের বাউন্স রেটের হার কমে যাবে।
৭. ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের আধিক্য থাকা:
আপনি খেয়াল রাখবেন আপনার সাইটে যেন অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন না থাকে। যেন এমন না হয় বিজ্ঞাপনের কারণে আপনার সাইটের মূল পোস্টই দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। তাহলে ভিজিটরগণ আপনার সাইটে আসাটাকে স্বাভাবিকভাবেই সময় নষ্ট হিসাবে বিবেচনা করবে। সুতরাং আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে হলে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন থেকে বিরত থাকতে হবে।
৮. পাঠকের জন্য নয় বরং সার্চ ইঞ্জিনের জন্য পোস্ট করা:
এটা একটা বড় ধরনের ভুল। কেউ যদি এসইও এর কথা চিন্তা করে কোন পোস্ট লিখতে গিয়ে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহার করে তাহলে সেটি ভিজিটরদের কাছেও যেমন অখাদ্যে পরিণত হবে তেমনি সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও স্প্যাম হিসাবে বিবেচিত হবে। সুতরাং আপনার সাইটে ভিজিটর ধরে রাখার জন্য তথা সাইটের বাউন্স রেট কমানোর জন্য আপনাকে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড পরিহার করে সুন্দরভাবে পোস্ট লিখতে হবে।
উপরোক্ত বিষয়গুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলে আপনি আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে পারবেন আশা করি।
:arrow: পুর্ব প্রকাশঃ http://hrcomputerbd.com/bn/

সাধারন একটি SEO টিপস ব্লগার ব্লগ এর জন্য । কাজে লাগবে সময় করে দেখুন ।

আপনাদের কাছে প্রশ্ন টিপস টি আসালে কি । বন্ধুরা আপনার লক্ষ করবেন আপনার ব্লগকে আপনি যখুন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করবেন তখুন আপনার ব্লগ এর টাইটেল আগে দ্যাখাবে এবং  মূল বিষয় টিকে ঠিক তার পরে । আজকে আমি আপনাদের দ্যাখাবো এটা পরিবর্তন করার যাই মানে টাইটেল টিকে পরে করার যাই । আশাকরি বুজতে পারলেন যদি না পারেন তাহলে নীচের ফটোতে দেখে নিন ।



* আশাকরি জিনিসটি কি এবং এটা কতটা দরকার বুজতে পারলেন । তাহলে আর দেরি না করে নীচে থেকে দেখে নিন ।

কিভাবে এটিকে পরিবর্তন করবেন নীচে দেখুন !


১ ) আপনার ব্লগ লগ ইন করুন ড্যাশবোর্ড থেকে Template এ ক্লিক করে Edit HTML এ ক্লিক করুন । 
 
২) এবার আপনার কি বোর্ড থেকে Ctrl+F প্রেস করে নীচের কোডটি খুজে বের করুন । 
<title><data:blog.pageTitle/></title>
৩) উপরের কোডটি খুজে পেলে নীচের কোডটি সেখানে বসিয়ে দিন ।
<!-- Start http://www.asobondhu.blogspot.com : Optimizing Trick  -->
<b:if cond='data:blog.pageType == &quot;item&quot;'>
<title><data:blog.pageName/> | <data:blog.title/></title>
<b:else/>
<title><data:blog.pageTitle/></title>
</b:if>
<!-- End http://www.asobondhu.blogspot.com : Optimizing Trick  -->
৪) এবার Save template এ ক্লিক করে সেভ করে নিন ।নোটঃ  যদি <title><data:blog.pageTitle/></title> কোডটি খুজে না পান তাহলে <head> এই কোডটি খুজে বের করুন তারপর <head> এর নীচে উপরের কোডটি কপি করে পেস্ট করে দিন ।
* আশাকরি আপনাদের বুজতে কোন সমস্যা হলনা । যদি কোন সমস্যা হয় আমাকে জানাবেন আমি হেল্প করতে চেষ্টা করবো ।* তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত ভাল থাকবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ ।
* পোস্ট টি আমার দ্বারা পূর্বে প্রকাশিত এখানে সময় করে ঘুরে আসুন । 
* এই ধরনের ব্লগার এর নতুন নতুন পোস্ট পেতে ঘুরে আসুন এখান থেকে । আমার ফেসবুক পেজ এখানে ।

নতুনরা এবার ভিডিও টিউটোরিয়াল এ দেখে নিন এসইও তে কিভাবে Robots.txt ফাইল ব্যবহার করবেন? তিনটি উপায়ই দেখানো হয়েছে।

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভাল আছি। এসইও এর কাজ করে অনলাইন থেকে আয় করছেন এমন লোকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েও চলেছে। আসলে অনলাইনের প্রত্যেকটি বিভাগের এসইও এর জ্ঞান থাকা আবশ্যক। আর এই এসইও এর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে Robots.txt ফাইলের ব্যবহার। আপনাদের কথা বিবেচনা করেই আইটি বাড়ি তাদের প্রিমিয়াম ভিডিও থেকে এই ফাইলটি উন্মুক্ত করেছে। দেখে নিন কিভাবে রুবট ফাইল তৈরি এবং ব্যাবহার করবেনে।
চলুন দেখে নিই রুবট.টিএক্সটি ফাইল ক্রিয়েশান এন্ড ইউজেসঃ
ভিডিওটি দেখতে পাবেন এখানে - http://www.youtube.com/watch?v=ZJK4tt_nYpI
নিজে দেখুন এবং অপরের সাথে শেয়ার করুন।
আমাদের ভিডিওগুলোর নিয়মিত আপডেট পেতে আজই আমাদের গ্রুপে যোগ দিন। এখানে ক্লিক করুন । 

কীওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে পরিপূর্ণ একটি গাইডলাইন

এসইও কাজের সবচাইতে জটিল কিন্তু সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ। ছোটবেলাতে পড়েছিলাম লক্ষ্য ছাড়া জীবন, মাঝি বিহীন নৌকার মতন। তেমনি কীওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া এসইও শুরু করলে মাঝপথে মাঝি ছাড়া নৌকার মতই অবস্থা হবে। কীওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া এসইও শুরু করা যায়না। অন্যভাবে বলা যায়, কীওয়ার্ড রিসার্চ এসইও কাজের ৪০% কমপ্লিট করে দেয়। আমি যদি না বুঝি কেন ওয়েবসাইটটি তৈরি করা কিংবা আমার প্রডাক্টের ক্রেতা কারা, এগুলো জানা না থাকলে কিভাবে এসইও করা যাবে? সেজন্যই ওয়েবসাইটের প্রতিটি কনটেন্ট, গেস্ট পোস্টের প্রতিটা আর্টিকেল এমনকি প্রতিটি পোস্টের টাইটেল লিখার জন্য আমাকে প্রথমে কীওয়ার্ড রিসার্চের ফলাফল জানা দরকার।

 কেন কীওয়ার্ড রিসার্চ করা জরুরী?

সংক্ষেপে উত্তর দিতে চাইলে বলতে পারি, আপনি যেই সেবা কিংবা পণ্যের ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছেন, সেই সেবা নেয়ার সম্ভাব্য ক্রেতাকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে ­আসা। আমি যদি ব্যাপারটাকে লোকাল কোন ব্যবসার সাথে তুলনা করে বুঝাতে চেষ্টা করি, তাহলে সবার জন্য বুঝতে সহজ হবে।
শুরু করা যাক, ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউট একটি আইটি ট্রেনিং সেন্টার। এখন আপনি যদি এটা জেনে সবার কাছে প্রচার শুরু করে দিলেন ক্রিয়েটিভ আইটিতে আইটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, তাহলে দেখা যাবে নেটওয়ার্কিং কোর্স কিংবা এমএসওয়ার্ড করার জন্যও প্রচুর লোক অফিসে আসবে। কিন্তু এ কোর্সগুলো ক্রিয়েটিভ আইটিতে করানো হয়না। তার মানে আমার অফিসে প্রচুর ফোন কল ‍কিংবা প্রচুর মানুষ কোর্স করার জন্য হয়ত অফিসে আসল। কিন্তু আমার লাভ খুব বেশি হলনা। বরং যারা আসছে তাদের সাথে কথা বলতে গিয়ে প্রচুর সময় আমাকে নষ্ট করতে হয়েছে। অন্যদিকে আপনি যদি স্পেসিফিকভাবে প্রচার করতেন, এখানে গ্রাফিকস, ওয়েবডিজাইন এবং এসইওর উপর কোর্স করানো হয়। তাহলে একদম স্পেসিফিক লোকজন মানে যারা এই কোর্সগুলো করতে চায়, তারাই শুধু অফিস ভিজিট করত। সেখান থেকে বেশিরভাগেরই কোর্সে ভর্তির সম্ভাবনা থাকত।
ঠিক একইভাবে এবং একই প্রয়োজনে ওয়েবসাইটের এসইও করার জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চের মাধ্যমে সঠিক কী-ওয়ার্ডটি বাছাই করে কাজ শুরু করা উচিত। সঠিকভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ না করে কাজ করলে ৩টি প্রধান সমস্যাতে পড়বেন।
  • হয়ত আপনি প্রচুর এসইও করছেন কিন্তু কোন রেজাল্ট পাবেননা কিংবা রেজাল্ট পেতে অনেক সময় লেগে যাবে।
  • হতে পারে, গুগলের সার্চের প্রথম পেজে আপনার ওয়েবসাইট কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর তারপরও আশানরুপ না।
  • আবার হয়ত প্রচুর ভিজিটর পাচ্ছেন কিন্তু একজনও আপনার পণ্য হয়ত কিনছেনা।
উপরের তিনটি সমস্যার যেকোনটিতে পড়তে না চাইলে সর্বোচ্চ সঠিকভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করা দরকার।

 এসইওর কাজে কীওয়ার্ড রিসার্চের মূল ধাপগুলো

এসইওর কাজে কীওয়ার্ড রিসাচের কাজ  ৩টি ধাপে হয়ে থাকে।
প্রথমত, প্রাথমিকভাবে আপনাকে ধারনা করে বের করতে হবে, কোন কোন কীওয়ার্ড দিয়ে মানুষ আপনার পণ্য সার্চ দিতে পারে।
দ্বিতীয়ত, যে কীওয়ার্ডটি প্রাথমিকভাবে আপনি ধারণা করে বের করেছেন, সেটি নিয়ে কাজ করতে গেলে আপনাকে কিরকম প্রতিযোগীতাতে পড়তে হবে, সেটি খুজে বের করতে হবে।
তৃতীয়ত,  কি পরিমাণ ভিজিটর এ কীওয়ার্ডটি দিয়ে প্রতিদিন সার্চ করে, সেটির একটি ধারণা আপনাকে পেতে হবে।

সার্চের রকমভেদ- এবার সার্চারদের মগজের ভিতরে নিয়ে যাব

কীওয়ার্ড রিসার্চের পদ্ধতি জানানোর আগে বিভিন্ন রকম সার্চ সম্পর্কে জানাটা খুব জরুরী। কোন ভিজিটর কিরকমভাবে সার্চ দেয় সেটি জানা না থাকলে কীওয়ার্ড রিসার্চ করার কাজটা খুব ভালভাবে সম্পন্ন করা যাবেনা। সেজন্য চলেন এবার একজন সার্চকারীর মগজের ভিতর থেকে আপনাদেরকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসি।
সার্চিংয়ের বিষয়ের দৈর্ঘ্য
 একেক রকম ভিজিটর একেক রকমভাবে তার প্রয়োজনীয় বিষয় সার্চ দিয়ে থাকে।
-১ কিংবা ২টি কীওয়ার্ডঃ সাধারণত দেখা যায়, ছোট কীওয়ার্ডে প্রচুর ট্রাফিক পাওয়া যায় কিন্তু সেই ট্রাফিক হয় লোকোয়ালিটির।
- ৩ শব্দের কিংবা তার চাইতে বেশি শব্দের কীওয়ার্ডঃ লম্বা কীওয়ার্ডের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ভিজিটর তেমন বেশি আছেনা কিন্তু যা ভিজিটর আসে তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাইকোয়ালিটি সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, ভিজিটর বা ট্রাফিক কোয়ালিটি বলতে টার্গেটেড ট্রাফিককে বোঝায়, যাদের মধ্য থেকে আপনার পণ্যের ক্রেতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যতবেশি টার্গেটেড ভিজিটর আসবে ততবেশি আপনার ওয়েবসাইট থেকে আয় বেড়ে যাবে।
শর্ট কীওয়ার্ডের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সাধারণত লোকোয়ালিটির ভিজিটর পাওয়া যায়। কারণ শর্ট কীওয়ার্ড খুব বেশি স্পেসিফিক হয়না। শুরুতে এ ব্যাপারে উদাহরণ দিয়েছিলাম। আইটি কোর্স দিয়ে সার্চ দিয়ে কেউ ক্রিয়েটিভ আইটিকে পেলে সেটাতে ভিজিটর পাওয়া যাবে অনেক, কিন্তু সেগুলো দিয়ে কোন উপকার হবেনা।
লং কীওয়ার্ড দিয়ে ভিজিটর কম আসবে কিন্তু যারা আসবে তাদের বেশিরভাগ আপনার সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট হবে। যেমনঃ graphic design in Bangladesh সার্চ দিয়ে প্রাপ্ত গুগল সার্চ রেজাল্টে ক্লিক করে যারা আপনার ওয়েবসাইটে ঢুকবে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই গ্রাফিকস কোর্স করার জন্যই ভাল ট্রেনিং সেন্টার খুজছিল। সুতরাং তাদের মধ্য থেকেই আপনার স্টুডেন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।
সুখবর হচ্ছে, সুপার স্পেসিফিক লং কীওয়ার্ডে কম্পিটিশন কম থাকে, সেজন্য গুগলের সার্চে টপে খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসতে পারবেন আর খারাপ খবর হচ্ছে এধরনের কীওয়ার্ড দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে  ভিজিটর সংখ্যা তেমন বেশি হবেনা। অর্থাৎ যদি কোম্পানীর ব্যবসার বৃদ্ধির জন্য এসইও করে থাকেন তাহলে লং কীওয়ার্ড নিয়ে এসইও করতে হবে। আর যদি এডসেন্স দিয়ে আয় করার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে শর্ট কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে পারেন। যত ভিজিটর তত আয়।

সার্চের বিষয়ঃ

এবার সার্চের বিষয় থেকে প্রয়োজনীয় ক্লায়েন্টকে বোঝার চেষ্টা করি। সেজন্য আপনাকে আগে আপনার পন্যকে খোজে পাওয়ার জন্য একজন ভিজিটর কিভাবে খোজ করতে পারে সেটা আগে ভেবে বের করা দরকার। এরকম সঠিকভাবে ভেবে বের করা অবশ্যই কঠিন জানি, কিন্তু সেটা করতে না পারলে সফল হতে পারবেননা।
ধরি আমি মোবাইল বিক্রি করার জন্য একটি ওয়েবসাইট বানিয়েছি। সুতরাং ওয়েবসাইটটি তৈরির উদ্দেশ্য মোবাইল বিক্রি। তার মানে যারা মোবাইল বিক্রি কিনার জন্য গুগলে সার্চ দিবে তারা অবশ্যই লিখবে, buy nokia mobile or price of nokia mobile ইত্যাদি এরকম কিছু। এটা সার্চ দিয়ে যারা আমার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে তারাই মোবাইলের প্রকৃত ক্রেতা।
সুতরাং এবার একটু ব্রেন খাটিয়ে কিছু ধারনা করি । আমার সম্ভাব্য ক্রেতারা সার্চ করার সময় যে যে শব্দগুলো ব্যবহার করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা আছে সেগুলো হলোঃ
Buy, prices, compare, best, review, gift, cheap, delivery.
এবার অন্যদিকে যদি অন্য একটি লিস্ট করি অর্থাৎ কোন কোন শব্দগুলো ব্যবহার করে আসা ভিজিটর আমার পণ্য জীবনও কিনবেনা বরং এসে যখন বুঝবে এটা বিক্রির জায়গা তারা তাড়াতাড়ি ওয়েবসাইট থেকে চলে যাবে। সেই ধরনের ভিজিটরদের সার্চ করার সময় ব্যবহৃত শব্দগুলোর লিস্ট করি।
  • jobs, free, tips, competition, contact, complain, news, magazine, girls, youtube.
যে ফ্রি শব্দটি ব্যবহার করে তার সার্চের বাক্যটি খুজবে, অর্থাৎ free mobile  তারা আমার ওয়েবসাইটে এসে যখন দেখবে এটি বিক্রির জায়গা, ফ্রি কিছু এখানে এসে পাবেনা, তারা ওয়েবসাইট ত্যাগ করবে খুব দ্রুত।
এবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলা জরুরী, না হলে ভুলের জন্য আমাকে গালাগালি করতে পারেন। আমরা ধারনা অনুযায়ি, যে যে শব্দগুলো আমরা ঠিক করলাম, এ শব্দদিয়েই আমার মোবাইলের ক্রেতারা সার্চ করবে ভেবে ভাবলাম,  সেগুলো ১০০% হয়তোবা মিলবেনা। মানুষের মনের ব্যপারে ১০০% ধারণা কখনওই করা সম্ভবনা। সেজন্য সাবধানতার জন্য এবং ভাল ফলাফলের জন্য ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের মতিগতি বোঝার জন্য সার্বক্ষণিক চেকিংয়ের উপর থাকতে হবে। সেজন্য Google Analytics or Google Webmaster Tools এর সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। এই টুলসগুলো ব্যবহার করে বুঝতে হবে কোন কীওয়ার্ড দিয়ে মানুষ আমার ওয়েবসাইট বেশি ভিজিট করে, কোন দেশ থেকে বেশি ভিজিট করে। সেগুলো নিয়মিত দেখে ‍সকল প্লান আপডেট করতে হবে।
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পুরো প্রসেস টি পিডিএফ করে রাখছি। পিডিএফ টি ডাউনলোড করার লিংকটি:  http://www.mediafire.com/?rkk034ykz9berhh
প্রশ্ন করার জন্য ফেসবুকগ্রুপে যোগাযোগ করুন: https://www.facebook.com/groups/creativeit/
সৌজন্যেঃ ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউট